বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, কাজ করে যাওয়াকেই নিজের জীবনের ব্রত বলে মনে করেন। বন্ধু ও স্বজনদের ভালোবাসা তাঁকে সব সময় অনুপ্রাণিত করে। পেশাগত কাজে পরিবারের সমর্থন ও অনুপ্রেরণার কথাও তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন।

হায়দার আলীকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে সতীর্থ ও স্বজনেরা তাঁকে একজন নীরব কর্মবীর হিসেবে উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের গবেষণা কর্মে উৎসাহ দেওয়া, সহযোগিতা করাসহ হায়দার আলীর নানা মানবিক কাজ কর্মের কথাও উচ্চারিত হয় সবার বক্তব্যে। বন্ধু ও স্বজনদের পক্ষ থেকে তাঁকে একটি শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি জনসমাজের পরিচিত ব্যক্তিত্ব সালাউদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় হায়দার আলীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন—সেলিম জোয়ার্দার, জেসমিন চৌধুরী, রাজীয়া আহমেদ, লুবান সিদ্দিকী, আবুল কাশেম, তারেক আহমেদ, আশরাফ হোসেন, জুলি জোয়ার্দার, ইব্রাহীম চৌধুরী প্রমুখ।

হায়দার আলীর স্ত্রী সুফিয়া আলী তাঁর বক্তব্যে স্বামীকে একজন চমৎকার পারিবারিক মানুষ হিসেবে তুলে ধরেন। নিউজার্সি ও পেনসিলভানিয়ায় বসবাসরত স্বজনদের কারণে সম্প্রতি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগের সুযোগ পেয়েও হায়দার আলী পেনসিলভানিয়াতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর পেছনে সম্পৃক্ত জনসমাজের ভালোবাসাই কাজ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন