default-image

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা সেনা প্রত্যাহারের অংশ হিসেবে সোমালিয়া থেকেও সেনা প্রত্যাহার করতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া আফগানিস্তান ও ইরাক থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হবে বলে রয়টার্সকে আজ মঙ্গলবার জানিয়েছেন এক কর্মকর্তা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমালিয়ায় প্রায় ৭০০ মার্কিন সেনা রয়েছেন। তারা সেখানে আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত আল-শাবাব জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্থানীয় বাহিনীগুলোকে সহায়তা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে সোমালিয়ায় মার্কিন সেনাদের উপস্থিতির বিষয়টি তেমন আলোচিত না হলেও আল-কায়েদার বিরুদ্ধে পেন্টাগনের বৈশ্বিক যুদ্ধে এই সেনা উপস্থিতিকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

সোমালিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বশেষ নিযুক্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্রিস্টোফার মিলার। সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে সোমালিয়ায় তিনি সর্বনিম্ন সংখ্যক সেনা রাখার পক্ষে। একই সঙ্গে এ ধরনের লড়াইয়ে আর সেনা মোতায়েনের পক্ষে তিনি নন। তবে সমালোচকেরা বলছেন, এমন পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি তৈরি করবে।

বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে সোমালিয়ায় সন্ত্রাসবাদবিরোধী বিশেষায়িত বাহিনী দানাব-এর সাবেক কমান্ডার কর্নেল আহমেদ আবদুল্লাহি শেখ রয়টার্সকে বলেন, সোমালিয়ায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যে ঝুঁকি রয়েছে, তার মধ্যে এমন পদক্ষেপ নেওয়াটা হবে সাংঘর্ষিক। এ ধরনের পদক্ষেপের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর মানুষের আস্থা কমবে। তিনি বলেন, ‘এমন সিদ্ধান্ত নিলে, তা হবে পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত।’

আহমেদ আবদুল্লাহি শেখ বলেন, ‘এটা একটা শূন্যতার সৃষ্টি করবে। মার্কিন সেনা উপস্থিতির কারণে সোমালিয়ার নিরাপত্তা বাহিনী একটা বাড়তি শক্তি পায়।’

উল্লেখ্য, সোমালিয়ায় ১৯৯১ সাল থেকে গৃহযুদ্ধ চলছে। ক্রমে সেখানে আল-শাবাব জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা বাড়ে।

মন্তব্য পড়ুন 0