default-image

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, তিনি ক্ষমতায় থাকার সময় সুরক্ষিত সীমান্ত উপহার দিয়েছিলেন। মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সীমান্তের অবস্থা একদম ভেঙে পড়েছে। সীমান্তে আবার দ্রুত দেয়াল নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

২১ মার্চ এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব কথা বলেছেন। দেশের সীমান্ত ব্যবস্থা একটি জাতীয় দুর্যোগে পরিণত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

এদিকে মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান আলেজান্দ্রো মেয়োরকাস এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। দক্ষিণ সীমান্ত কার্যত বন্ধ রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে আসা অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। মানবিক কারণে শিশুদের মা-বাবার সঙ্গে থাকার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট বাইডেন ক্ষমতায় আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অভিবাসীদের প্রবেশের ঘটনা বেড়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রতিদিন গড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ এ সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করেছে বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে।

ট্রাম্পের চার বছরে অভিবাসন নিয়ে শক্ত অবস্থানের কারণে সীমান্ত দিয়ে আসা লোকজনের সংখ্যা কমেছিল। প্রেসিডেন্ট বাইডেন ক্ষমতায় আসার পরই দক্ষিণ আমেরিকা থেকে জনপ্রবাহ শুরু হয়েছে। যদিও অভিবাসনব্যবস্থায় এখনো কোনো পরিবর্তন আসেনি। অভিবাসনব্যবস্থা সহজ করার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাইরের দেশগুলোতে ভুল বার্তা পৌঁছেছে এবং দালালেরা লোকজনকে সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধানের বক্তব্যের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, সেক্রেটারি মেয়োরকাসসহ বাইডেন প্রশাসনের কোনো ধারণাই নেই, সীমান্ত ও অভিবাসন নিয়ে তাঁরা কী করছেন।

তাঁর শুরু করা সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের কাজ বন্ধ করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে ওই দেয়াল নির্মাণ সম্পন্ন করে সীমান্ত সুরক্ষার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সীমান্ত ও অভিবাসন পরিস্থিতিকে স্বয়ংক্রিয় অবস্থায় রাখলে এমন সংকট সৃষ্টি হতো না। নথিপত্রহীন অবস্থায় সীমান্ত পাড়ি দেওয়া লোকজনকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দিলে সারা বিশ্ব থেকে লোকজনের আগমন ঘটবে
ডোনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট

ট্রাম্প বিবৃতিতে বলেছেন, সীমান্ত ও অভিবাসন পরিস্থিতিকে স্বয়ংক্রিয় অবস্থায় রাখলে এমন সংকট সৃষ্টি হতো না। নথিপত্রহীন অবস্থায় সীমান্ত পাড়ি দেওয়া লোকজনকে গ্রেপ্তার করে ছেড়ে দিলে সারা বিশ্ব থেকে লোকজনের আগমন ঘটবে। দক্ষিণের সীমান্ত দিয়ে দেশে মাদক ঢুকছে। এ ছাড়া অন্য অপরাধীদের আগমনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জনজীবন বিপন্ন হয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ অবহিত আছেন।

সীমান্ত পরিদর্শনে শিগগির তিনি যাচ্ছেন কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, কোনো এক সময় তিনি সীমান্ত পরিদর্শনে যাবেন।

বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন