default-image

আর্থসামাজিক উন্নয়নে সুনীল অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমির সম্ভাবনাসমূহ পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাতে নিজস্ব সমুদ্র সীমার বাইরে বৈশ্বিক সমুদ্র-সম্পদ আহরণের ক্ষেত্রে ন্যায়সংগত অংশীদারত্বের কথা তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি জাতিসংঘে আয়োজিত একটি ইভেন্টে বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ সহযোগিতা চান।

জাতিসংঘে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের জন্য সম্প্রতি ‘সমুদ্রতলের সম্পদে টেকসই উন্নয়ন ঘটিয়ে প্রাপ্ত সুবিধার ন্যায়সংগত বণ্টন: স্বল্পোন্নত, ভূ-বেষ্টিত স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপ-রাষ্ট্রসমূহের সুযোগ’ শীর্ষক এক ব্রিফিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে যোগ দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা।

উচ্চ পর্যায়ের এই ইভেন্টে গভীর সমুদ্রে খনন নিয়ন্ত্রণবিষয়ক আইনগত কাঠামোর উন্নয়ন, খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য চুক্তিবদ্ধকরণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে স্বল্পোন্নত, ভূ-বেষ্টিত স্বল্পোন্নত ও ক্ষুদ্র দ্বীপ-রাষ্ট্রসমূহের প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে সক্ষমতা বিনির্মাণে আইএসএ গৃহীত পদক্ষেপগুলো তুলে ধরেন আন্তর্জাতিক সমুদ্রতলদেশ কর্তৃপক্ষের মহাসচিব মাইকেল ডব্লিউ লজ।

অনুষ্ঠানে রাবাব ফাতিমা বলেন, বাংলাদেশ সমুদ্র সম্পদের পূর্ণ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আর সুনীল অর্থনীতি এ ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ ক্ষেত্রে সক্ষমতা বিনির্মাণ, জ্ঞান বিনিময়, বিশেষ করে প্রশিক্ষণ, বিকল্প কারিগরি কর্মী তৈরি, গবেষণা ও অধ্যয়নের সুযোগ সৃষ্টিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে সহযোগিতা পায়, নিশ্চিত করা দরকার। উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে সমুদ্র-সম্পদ আহরণ করে কাজে লাগাতে পারে, সে লক্ষ্যে বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0