default-image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর মাত্র চার দিন বাকি। নির্বাচন সম্পর্কে যারা খুব অল্প খোঁজ রাখেন, তারাও এরই মধ্যে জেনে গেছেন যে, এবার ডেমোক্রেটিক দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ও সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। বিভিন্ন জনমত জরিপ, ডাকযোগে ও আগাম ভোটের প্রবণতা, বিভিন্ন ইস্যুতে সাধারণ ভোটারদের অধিকাংশের অবস্থান ইত্যাদি বিবেচনায় নিলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনের আশা ক্ষীণ হয়ে আসতে বাধ্য।

গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প মোট ভোটে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের কাছে হারলেও ইলেকটোরাল কলেজের জটিল হিসাবে প্রেসিডেন্ট হন। কিন্তু, এবার তেমন ঘটার সম্ভাবনা ক্রমে মিলিয়ে যাচ্ছে। ডেমোক্র্যাট হিসেবে পরিচিত অঙ্গরাজ্যগুলোতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি গেল নির্বাচনে রিপাবলিকানদের কাছে হারানো অঙ্গরাজ্যগুলো পুনরুদ্ধারের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছেন বাইডেন। ব্যাটলগ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত সুইং স্টেটগুলোর অধিকাংশতেই বাইডেন বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। এমনকি চমক হিসেবে টেক্সাসের মতো রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্যেও বাইডেন এতটা এগিয়েছেন যে, কোন কোন জরিপকারী প্রতিষ্ঠান এই অঙ্গরাজ্যকেও এখন সুইং স্টেটের কাতারে ফেলছে।

বিজ্ঞাপন

জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন জনমত জরিপের ফল মোট ভোটে জো বাইডেনের জয় অবধারিত বলেই পূর্বাভাস দিচ্ছে। ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট বিভিন্ন জনমত জরিপ বিশ্লেষণ করে তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে, মোট ভোটে বাইডেনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ। শুধু তাই নয়, সাবেক এই ভাইস প্রেসিডেন্টের ইলেকটোরাল কলেজ জয়ের সম্ভাবনা ৯১ শতাংশ। বিপরীতে ট্রাম্পের সম্ভাবনা রয়েছে ৯ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের খবর যারা রাখেন, তাঁরা জানেন এ নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রেসিডেন্ট হতে একজন প্রার্থীর মোট ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজের মধ্যে ২৭০টি ভোট প্রয়োজন। এবারের নির্বাচনের প্রবণতা বিশ্লেষণ করে ইকোনমিস্ট বলছে, বাইডেন ৩৪৭টি ইলেকটোরাল ভোট পেতে পারেন। আর ট্রাম্পের কাছে যেতে পারে ১৯১টি ইলেকটোরাল ভোট। আসন্ন নির্বাচনের ফল কী হতে পারে, সে সম্পর্কে ২০ হাজার সম্ভাব্য যুক্তিসংগত অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ১১৬ থেকে ৩১২টি ইলেকটোরাল ভোট পেতে পারেন। আর বাইডেন পেতে পারেন ২২৬ থেকে ৪২২টি ইলেকটোরাল ভোট।

আর মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের সর্বশেষ ‘রোড টু ২৭০’ শীর্ষক র‌্যাঙ্কিংয়ে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের ১৬৩ ইলেকটোরাল ভোট পাওয়া মোটামুটি নিশ্চিত। ফলে নির্বাচনে জয় পেতে হলে তাঁকে আরও ১০৭টি ভোট পেতে হবে। সুইং স্টেটগুলোর মধ্যে পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের ফল নিয়ে ব্যাপক সংশয় রয়েছে। এগুলোয় যে কেউ জয় পেতে পারেন। এগুলো হচ্ছে আইওয়া, ওহাইও, নর্থ ক্যারোলাইনা, জর্জিয়া ও ফ্লোরিডা। সঙ্গে রয়েছে মেইন অঙ্গরাজ্যের দ্বিতীয় কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট। এসব অঙ্গরাজ্যে যদি ট্রাম্প জয় পান, তাহলেও তাঁর পক্ষে সেই কাঙ্ক্ষিত ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট পাওয়া সম্ভব না। কারণ এগুলোয় সব মিলিয়ে রয়েছে ৮৫টি ইলেকটোরাল ভোট। এখন পর্যন্ত পাওয়া বিভিন্ন জনমত জরিপের ভিত্তিতে সবচেয়ে ইতিবাচক ফল হলেও ট্রাম্পের পক্ষে ২৪৮টির বেশি ইলেকটোরাল ভোট পাওয়া সম্ভব নয়।

এই পাঁচ অঙ্গরাজ্যের মধ্যে আবার সবকটিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বাইডেন থেকে এগিয়ে নেই। বিভিন্ন জনমত জরিপের ফলের গড় করে রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকস জানায়, এই অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে ওহাইওতে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ট্রাম্প। আর এই ব্যবধান মাত্র শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ পয়েন্টের। ফ্লোরিডা ও জর্জিয়ায় ট্রাম্প এগিয়ে রয়েছেন শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্টে। আবার আইওয়াতে বাইডেন ট্রাম্প থেকে এগিয়ে রয়েছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে। ফলে এসব অঙ্গরাজ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প জয় পাবেন—সে কথা হলফ করে বলা যাচ্ছে না।

সবচেয়ে বড় কথা হলো এসব রাজ্যেও ট্রাম্প যদি জয় পান, তারপরও প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হতে ট্রাম্পের প্রয়োজন পড়বে ২২টি ইলেকটোরাল ভোটের। এই ২২টি ভোট তিনি কোথা থেকে পাবেন। সে ক্ষেত্রে ডেমোক্রেটিক দলের ভিতে হানা দিতে হবে তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই ট্রাম্প তাকাতে পারেন তিন সুইং স্টেট উইসকনসিন (১০), মিশিগান (১৬) ও পেনসিলভানিয়ার (২০) দিকে। কিন্তু এই তিন অঙ্গরাজ্যে তাঁর কোনো আশা নেই বলেই মনে হচ্ছে।

২৮ অক্টোবর প্রকাশিত ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজের জনমত জরিপের ফল বলছে, বাইডেন উইসকনসিনে ১৭ ও মিশিগানে ৭ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে ট্রাম্প থেকে এগিয়ে রয়েছেন। পেনসিলভানিয়ায় অবশ্য বাইডেন এতটা এগিয়ে নন। রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকসের তথ্যমতে, এই অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্প থেকে তাঁর ব্যবধান ৩ দশমিক ৮ শতাংশ পয়েন্ট।

বিজ্ঞাপন

এ বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে বাইডেনের শক্ত ভিত রয়েছে এমন তিন সুইং স্টেটের মধ্যে দুটিকে নিজের দিকে টেনে আনাটা ট্রাম্পের জন্য কষ্টকরই হবে। তাহলে ট্রাম্প কোন দিকে তাকাতে পারেন? প্রশ্ন সহজ হলেও উত্তর কঠিন। কারণ, এ ক্ষেত্রে সুই স্টেটগুলোর মধ্যে অ্যারিজোনাই একমাত্র বাকি আছে, যেখানে রয়েছে ১১টি ইলেকটোরাল ভোট। এই ভোটগুলো বাগে আনতে পারলেও ট্রাম্পের সমস্যার কেবল অর্ধেক সমাধান হয়। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্প ভাবতে পারেন মিনেসোটার কথা, যেখানে ২০১৬ সালে ট্রাম্প অল্প ব্যবধানে হেরেছিলেন। এবারও এই অঙ্গরাজ্যে পরিচালিত জনমত জরিপে তিনি পিছিয়ে আছেন। তাও এখানে জয় পেলে একটি ইলেকটোরাল ভোটের অপেক্ষায় তাঁকে থাকতে হবে।

এর বাইরে থাকছে কলোরাডো (৯), নেভাদা (৬) ও নিউ হ্যাম্পশায়ার (৪)। এই তিন অঙ্গরাজ্যেই ডেমোক্রেটিক দলের প্রাধান্য বাড়ছে। তারপরও এগুলোয় ট্রাম্প জয় পেলে জয়ের জন্য কাঙ্ক্ষিত ২২ ইলেকটোরাল ভোট জোগাড় করতে পারবেন না তিনি।

এ তো গেল অঙ্কের হিসাব। এই অঙ্কের হিসাবে অনেক কিছুই বলা যায়। কিন্তু সত্য হচ্ছে, যদি এখনো পরিসংখ্যান ও গাণিতিকভাবে ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা ১ শতাংশও থাকে, তবে তাকে বিবেচনায় নিতেই হবে। কারণ, অঙ্কে যেমনই দেখাক, এটা সম্ভাবনাই। গেল নির্বাচনে হিলারির জয়ের সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ বলেছিল প্রিন্সটন ইলেকশন কনসোর্টিয়াম। আর মার্কিন সংবাদমাধ্যম হাফিংটন পোস্টের পূর্বাভাসে, এ সম্ভাব্যতা ধরা হয়েছিল ৯৮ শতাংশ। এতটা না হলেও অধিকাংশ সংবাদমাধ্যম ও জরিপকারী প্রতিষ্ঠানের পূর্বাভাসে এগিয়ে ছিলেন হিলারি ক্লিনটনই। কিন্তু বাকি থাকা ১-২ শতাংশ সম্ভাবনা কাজে লাগিয়েই যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ওভাল অফিসে বসেছেন—তা তো এখন বড় সত্যই। এ সত্য অস্বীকারের কোনো সুযোগই নেই।

অবশ্য গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হিলারি প্রতিদ্বন্দ্বী ট্রাম্প থেকে জনমত জরিপে যতটা এগিয়ে ছিলেন, তার চেয়ে ঢের বেশি এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। এবার এমন অনেকেই বাইডেনকে সমর্থন দিচ্ছেন, যারা ২০১৬ সালে হিলারিকে সমর্থন দেননি। ২০১৬ সালে স্বতন্ত্র ও ডেমোক্র্যাট ভোটারদের একটি বড় অংশ তৃতীয় কোনো প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। এমনকি কেউ কেউ ডোনাল্ড ট্রাম্পকেও ভোট দিয়েছিলেন। এবার আবার তাঁদের অনেকেই বাইডেনকে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। একেক জনের ক্ষেত্রে একেক কারণ কাজ করছে। কেউ ব্যক্তিগত, কেউ রাজনৈতিক, কেউ লৈঙ্গিক, কেউ ট্রাম্প-বিরোধিতা—এমন নানা কারণেই তাঁরা বাইডেনের পক্ষ নিচ্ছেন।

বাইডেনের ক্ষেত্রে একটি বড় সুবিধা ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই। তাঁর চার বছরের মেয়াদকাল পার হওয়ায় ভোটারদের পক্ষে আগের চেয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া তুলনামূলক সহজ হচ্ছে। আবার হিলারি ক্লিনটন সে সময় এমন অনেক সুবিধা পাননি, যা এবার বাইডেন পাচ্ছেন। বাইডেনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, আগেরবার মার্কিন জনগণের মধ্যে যে পরিবর্তন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা ছিল গোটা ব্যবস্থা পরিবর্তনের। আর এবার ক্ষমতাসীন ব্যক্তিকে পরিবর্তনের বিষয়টিই মুখ্য হয়ে উঠেছে অনেকের কাছে। ফলে ব্যবস্থা সম্পর্কিত অনেক জটিল প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছে না বাইডেনকে। নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, গত নির্বাচনে সুইং স্টেটগুলোয় তৃতীয় কাউকে ভোট দিয়েছেন এমন সম্ভাব্য ভোটারদের ৪৯ শতাংশই বাইডেনকে সমর্থন করছেন। বিপরীতে ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন ১৯ শতাংশ ভোটার।

বাইডেন এবার হিলারি চেয়ে আরেকটি জায়গায় এগিয়ে রয়েছেন। আর তা হলো ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর প্রচারশিবির এবার কোনো ‘অক্টোবর সারপ্রাইজ’ দিতে পারেননি। ২০১৬ সালের নির্বাচনের ঠিক ১১ দিন আগে হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল কেলেঙ্কারির তদন্ত এফবিআই আবার শুরু করলে নির্বাচনী মাঠে পরিবর্তন শুরু হয়। কিন্তু এবার চেষ্টা করেও তেমন কোনো চমক দিতে পারেননি ট্রাম্প। হান্টার বাইডেনের ই-মেইল কেলেঙ্কারি সামনে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে না পারায় এ চেষ্টা ব্যর্থ হয়। বরং উল্টো ঘটনা ঘটেছে। নিউইয়র্ক টাইমসের কল্যাণে বিশ্বের সব সংবাদমাধ্যমের আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কর ফাঁকির তথ্য নিয়ে এখনো ট্রাম্প শিবিরকে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। রয়েছে করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থতার বিষয়টি, যা শেষ পর্যন্ত এই কয়েক দিন আগে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করলেন। ফলে ডেমোক্রেটিক দলের অভিযোগটি ভিত্তি পেল।

শেষ মুহূর্তে আরও নানা বিষয় সামনে আসছে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে অ্যামি কোনি ব্যারেটের নিয়োগ গণতান্ত্রিক রীতি ভেঙে করা হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটাই ডেমোক্র্যাটরা বর্জন করেছেন। এখন নর্থ ক্যারোলাইনায় ডাকযোগে ভোট গ্রহণের সময়কাল নিয়ে করা মামলার রায় নিজেদের বিরুদ্ধে যাওয়া এবং এই রায় দেওয়ার সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারক বেঞ্চে ব্যারেটের না থাকাটা ট্রাম্প প্রশাসনের পরোক্ষ পরাজয় হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এসব ঘটনাপঞ্জির কোনোটিই ট্রাম্পের জন্য সুখকর নয়।

সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের পরাজয় আগে থেকে দেখে ফেললে দোষ দেওয়া যাবে না। অন্তত আগাম ভোটের প্রবণতা তেমন কথাই বলছে। এ বছর এরই মধ্যে ডাকযোগে ও আগাম ভোটের পূর্ববর্তী রেকর্ড ভেঙে গেছে। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেকই পড়েছে সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ ১২ অঙ্গরাজ্যে। এই ১২ অঙ্গরাজ্যে গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে যতসংখ্যক ভোট পড়েছিল, তার অর্ধেকই এর মধ্যে দেওয়া হয়ে গেছে। এর মধ্যে পাঁচটি সুইং স্টেটে রিপাবলিকানদের চেয়ে প্রায় ২০ লাখ বেশি ডেমোক্র্যাট ভোট দিয়েছেন। শুধু পেনসিলভানিয়ায় যতসংখ্যক রিপাবলিকান আগাম ভোট দিয়েছেন, তার তিনগুণ দিয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। তবে রিপাবলিকান ভোটারদের মধ্যে যেহেতু সরাসরি ভোট দেওয়ার প্রবণতা বেশি, তাই ভোটের দিন বহু হিসাব বদলে যেতে পারে। আরেক মেয়াদে হোয়াইট হাউসে যেতে হলে ট্রাম্প ও তাঁর প্রচার দলকে এই বদলকে বর্ধিত করতে হবে, যা খুবই কঠিন, এমনকি অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে এখন পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0