default-image

আমেরিকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য কানেকটিকাটে মাস্ক পরা নিয়ে ভিন্ন একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। মাস্ক না পরার কোনো শারীরিক কারণ থাকলে, তার প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় জরিমানা গুনতে হবে নির্দেশনা অমান্যকারীকে।

নিউইয়র্ক, নিউজার্সির মতো কানেকটিকাটেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধাপে ধাপে খুলে দেওয়া হচ্ছে সবকিছু। নাগরিকদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক ব্যবহার করার নির্দেশনাও রয়েছে।

অধিকাংশ লোকজন এসব নির্দেশনা মেনে চলছে। তবে কেউ কেউ দাবি করেছেন, শারীরিক সমস্যার কারণেই তাঁরা মাস্ক ব্যবহার করতে পারছেন না।

শ্বাসকষ্টের রোগ থাকলে মাস্ক ব্যবহারে অসুবিধার কথা সবাই জানলেও, মাস্ক না পরার অজুহাত হিসেবে এটিকে অনেকেই ব্যবহার করতে শুরু করেছেন। এ নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি করেছেন রাজ্য গভর্নর। শারীরিক অসুবিধার জন্য মাস্ক ব্যবহারে অসুবিধা থাকলে, এখন থেকে তার প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। প্রমাণ হিসেবে চিকিৎসকের সার্টিফিকেটের কথা বলা আছে।

কানেকটিকাটের গভর্নর নেড ল্যামোট ১০ আগস্ট সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ দোকানে, সড়কপথে ও ভিড়ের মধ্যে মাস্ক ছাড়াই চলাচল করছেন। জিজ্ঞাসা করা হলে তাঁরা বলছেন, শারীরিক সমস্যার কারণে তাঁরা মাস্ক পরতে পারছেন না।

এসব কারণেই রাজ্য নতুন এই নির্দেশ দিয়েছে। এখন থেকে কানেকটিকাট রাজ্যে মাস্ক না পরলে অবশ্যই প্রমাণপত্র সঙ্গে রাখতে হবে। অন্যথায় জরিমানা গুনতে হবে।

নিউইয়র্ক, নিউজার্সি ও কানেকটিকাটে বাইরের তালিকাভুক্ত রাজ্যগুলো থেকে ভ্রমণে এলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন চালু আছে। এসব রাজ্যে ভ্রমণের পরই একটি ফরম পূরণ করতে হচ্ছে, যেখানে ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার ঠিকানা প্রদান করতে হচ্ছে। কানেকটিকাটে এর মধ্যেই কোয়ারেন্টিন নির্দেশ অমান্য করার জন্য ভ্রমণকারীদের এক হাজার ডলার করে জরিমানা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0