যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ এসে হাজির। কোভিড-১৯ ট্র্যাকিং প্রজেক্টের (সিটিপি) তথ্য অনুযায়ী, এ দেশে কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালের নতুন রোগী ভর্তির সংখ্যা প্রতিদিন রেকর্ড তৈরি করেছে। বেশির ভাগ রাজ্যে ইতিমধ্যে করোনা রেকর্ড ভেঙেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইতিমধ্যে ১০ কোটি মানুষের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে, মৃত্যুর সংখ্যাও ২ লাখ ৪০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের একজন করোনাভাইরাস উপদেষ্টার মতে, যুক্তরাষ্ট্রে শিগগিরই চার

থেকে ছয় সপ্তাহব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করা উচিত। এতে যুক্তরাষ্ট্র ‘কোভিড নরকে’ প্রবেশ থেকে মুক্তি পেতে পারে। সেই উপদেষ্টার নাম ডা. মাইকেল অস্টারহোম। তিনি ১১ নভেম্বর বলেন, ভ্যাকসিন জনগণের কাছে পুরোপুরি না আসা পর্যন্ত দেশজুড়ে হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোত্তম উপায় হতে পারে কঠোর একটি জাতীয় লকডাউন।

বিজ্ঞাপন

মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংক্রামক রোগ গবেষণা ও নীতি কেন্দ্রের পরিচালক অস্টারহোম সতর্ক করে বলেন, আগামী কয়েক মাস করোনায় আসল কালো অধ্যায় শুরু হবে। তিনি মনে করেন, আসছে দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় করোনার প্রথম ঢেউ হবে খুবই নগণ্য। সে জন্য ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত সরকারের জাতীয়ভাবে লকডাউন নির্দেশনামা দেওয়া উচিত।

অস্টারহোমের মতে, শীতকালীন আবহাওয়ার কারণে মানুষ এখন ঘরমুখো। তাই করোনাভাইরাস এখন আরও সহজে ছড়িয়ে পড়বে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘গত মার্চ থেকে মে লকডাউন তেমন কার্যকর হয়নি। কারণ সব রাজ্য একযোগে লকডাউনের নির্দেশনা দেয়নি। দেশজুড়ে একযোগে লকডাউন ঘোষণা করা হয়নি। তাই এবার লকডাউন কার্যকর হতে হলে লকডাউনটি যথাসম্ভব ব্যাপক ও কঠোর হতে হবে।

মন্তব্য পড়ুন 0