একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ। ১০ অক্টোবর এ মামলার রায় হওয়ার পর এক বিবৃতিতে দলের নেতারা বলেন, বর্বরোচিত ও নৃশংস গ্রেনেড হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত ছিল।

নেতারা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর পর এই নৃশংস গ্রেনেড হামলার বিচার হলো যার মূল লক্ষ্য ছিলেন তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাঁকে লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। হাওয়া ভবন থেকে এই হামলার পরিকল্পনা হয়েছিল।

মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, ১৪ বছর ধরে মানুষের আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল এই গ্রেনেড হামলা। এই হামলায় মোট ২৪ জনের প্রাণ ঝড়ে গেছে। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের মামলার কোনো গুরুত্ব ছিল না। তারা আলামত নষ্ট করেছিল। এফবিআই দিয়ে মামলার তদন্ত করলেও স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডকে দেশ ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এই মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে জজ মিয়া নাটক সাজানো হয়েছিল। তখন ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল হাওয়া ভবন। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, এই মামলার অন্যতম আসামি মুফতি হান্নান অপারেশনের আগে তারেক রহমানের অনুমতি নিয়েছিল বলে আদালতে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে।

একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় ১০ অক্টোবর ঢাকার আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। এই মামলার অন্য ১১ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে সই করেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাদেক খান, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনোয়ার হোসাইন, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি শিব্বীর আহমেদ, সহসভাপতি জি আই রাসেল, জুয়েল বড়ুয়া, মজিবুর রহমান খান, বদরুল আলম ও আকতার হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুন নবী বাকী, যুগ্ম সম্পাদক হারুনুর রশীদ, আলমগীর সোহেল ও মনির পাটোয়ারী, সাংগঠনিক সম্পাদক নারায়ণ দেবনাথ, প্রচার সম্পাদক শামীম হায়দার প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন