default-image

যুক্তরাষ্ট্রে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্রেটিক দলের গভর্নর গ্রিচেন হুইটমারকে অপহরণের পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আদালতে এফবিআই যাদের নাম প্রকাশ করেছে তাঁরা হলেন—পোর্টভিলের অ্যাডাম ফক্স (৩৭), ডেলাওয়ারের বেরি ক্রফট (৪৪), হার্টল্যান্ডের টাই গারবিন (২৪), ওয়াটারফোর্ডের কালেব ফ্রাঙ্কস (২৬), লেক ওরিয়নের ড্যানিয়েল হ্যারিস (২৩) ও ক্যান্টন টাউনশিপের ব্র্যান্ডন ক্যাস্টেরা (৩২)।

বিজ্ঞাপন
default-image

৮ অক্টোবর এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে প্রকাশিত মামলার বিবরণীতে জানানো হয়েছে, মিশিগানের গভর্নর গ্রিচেন হুইটমারকে অপহরণ পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিল উলভারিন ওয়াচম্যান নামের একটি মিলিশিয়া সংগঠন। গ্রেপ্তার ১৩ জনের মধ্যে ছয়জন মিশিগানে করোনাভাইরাস ইস্যুতে গভর্নরের নিষেধাজ্ঞায় অসন্তুষ্ট ছিলেন। তাঁরা গভর্নরকে রাষ্ট্রদ্রোহী মনে করেন। তাঁরা একটি মুক্ত সমাজ গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, যেখানে অসাংবিধানিক কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। পরিকল্পনাকারীরা রাজ্যের রাজধানীতে হামলা চালিয়ে জিম্মি করা ও গৃহযুদ্ধের পরিকল্পনাও করেছিলেন। গত জুনে ল্যান্সিংয়ে মিলিশিয়া বাহিনীর অন্তত সাতজনের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেন তাঁরা। গভর্নরকে অপহরণ করতে উত্তর মিশিগানে তাঁর বাসভবনে দুইবার র্যাকিও করেছেন। অপহরণ করে গভর্নরকে উইসকনসিনে একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে নির্বাচনের আগেই তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের বিচার করবেন বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

রাজ্যে ঘৃণা ও সহিংসতার কোনো স্থান নেই
মিশিগানের গভর্নর গ্রিচেন হুইটমার
default-image

এ ঘটনায় গভর্নর গ্রিচেন হুইটমার বলেন, রাজ্যে ঘৃণা ও সহিংসতার কোনো স্থান নেই।

মিশিগানের অ্যাটর্নি জেনারেল ডানা নেসেল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেষ্টায় মিশিগানের সরকারি কর্মকর্তা এবং জনসাধারণকে লক্ষ্য করে সাজানো একটি হামলার পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সন্দেহজনক কার্যক্রমের সূত্র ধরে ওই অপহরণ পরিকল্পনার ব্যাপারে জানতে পেরেছিল এফবিআই।

এফবিআইয়ের প্রধান ক্রিস্টোফার রে বলেন, অপহরণের পরিকল্পনার আদ্যোপান্ত জানতে এফবিআই এজেন্টরা কাজ করে যাচ্ছেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

এর আগে এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, মার্কিন নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ সহিংসতা, হামলা, অপহরণ এবং খুনের মতো ঘটনা বাড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে উগ্রপন্থী শ্বেতাঙ্গদের জঙ্গি সংগঠন, অ্যান্টি ফ্যাসিস্ট আন্দোলন (অ্যান্টিফা) ও কয়েকটি বর্হি রাষ্ট্রকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছিল এফবিআই।

মন্তব্য পড়ুন 0