default-image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগেই জো বাইডেন মার্কিন নাগরিকদের জন্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নামে নতুন নাগরিক প্রণোদনা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে তাঁর ঘোষিত নতুন এই প্রণোদনার অর্থ পাওয়ার অপেক্ষা শুধু দীর্ঘায়িত হচ্ছে। কবে নাগাদ নাগরিকেরা এই প্রণোদনার অর্থ পেতে পারে, তা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা খবর বেরোচ্ছে। বিশেষজ্ঞরাও সম্ভাব্য দিন–তারিখ নিয়ে আগাম ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফা অভিশংসন নিয়ে জল্পনা–কল্পনার অবসান হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, কংগ্রেসে এবার বাইডেনের প্রস্তাবিত প্রণোদনার অর্থ নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে। তবে কবে নাগাদ নাগরিকেরা এই অর্থ পাবে, তা এখনো কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।

অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নামে বাইডেন ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন। এই অর্থের মধ্যে জনপ্রতি ১ হাজার ৪০০ ডলার করে নগদ অর্থ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এ প্রস্তাব ঘোষণার পর নাগরিকেরা এখন অধীর অপেক্ষায় আছে, কবে নাগাদ কংগ্রেসে এই প্রণোদনার বিল পাস হবে। কংগ্রেস থেকে এই বিল পাসের পর উদ্দীপনা বিল আইনে পরিণত হতে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন লাগবে। সে জন্যও অপেক্ষা করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তারপর ইন্টারনাল রেভিনিউ সার্ভিস বা আইআরএসের মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে অর্থ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির ১১ ফেব্রুয়ারি দেওয়া বিবৃতিতে নাগরিকেরা কিছুটা আশাবাদী হতে পারেন। এতে তিনি বলেছেন, তিনি ধারণা করছেন ফেব্রুয়ারি বা মার্চের প্রথমার্ধেই তাঁরা এই প্রক্রিয়া শেষ করতে সক্ষম হবেন।

বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ১২ মার্চ কংগ্রেসে এই বিল পাস হলে ২২ মার্চ থেকে আইআরএস ব্যাংকে সরাসরি জমার মাধ্যমে নাগরিকদের কাছে অর্থ পাঠাতে শুরু করতে পারবে। অন্যদিকে ২২ মার্চ বিল পাস হলে ২৯ মার্চ থেকে অর্থ পাঠানো শুরু হবে। মার্চের শেষ দিকে অনেকে এই প্রণোদনার অর্থ পেয়ে যাবেন বলে বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করছেন।

করোনা মহামারির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে সৃষ্ট বেকার সমস্যা এখনো কাটিয়ে উঠতে পারছে না। এ প্রণোদনার অর্থ পেতে নাগরিকদের অপেক্ষা যাতে দীর্ঘায়িত না হয়, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন