default-image

নির্বাচনের উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ নিশ্চিত হয়ে গেল। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিসেবে অ্যামি কোনি ব্যারেটকেই নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে মার্কিন সিনেট। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যামি কোনি ব্যারেটকে বিচারপতি হিসেবে মনোনয়ন দেন। রিপাবলিকানদের সমর্থনে ৫২-৪৮ ভোটে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ চূড়ান্ত হলো অ্যামি ব্যারেটের।

বিজ্ঞাপন

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে হোয়াইট হাউসে শপথ নিয়েছেন ৪৮ বছর বয়সী এই নারী।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যামি ব্যারেটের নিয়োগে যুক্তরাষ্ট্রের বিচারিক পরিষদে রক্ষণশীল দল ৬-৩–এ সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে। রিপাবলিকান সিনেটর সুজান কলিন্স গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট–মনোনীত এই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন।

অ্যামি কোনি ব্যারেট প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচিত তৃতীয় বিচারপতি।

পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচনী প্রচার শেষে ফেরার পরই স্থানীয় সময় গতকাল রাতে ট্রাম্প অ্যামি ব্যারেটের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

ট্রাম্প বলেন, সংবিধান ও আইনের সুষ্ঠু শাসন নিশ্চিত করতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য স্মরণীয় দিন। তিনি বলেন, অ্যামি ব্যারেট অন্যতম মেধাবী আইনজ্ঞ। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানটি সাউথ লনে অনুষ্ঠিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের উদারনৈতিকেরা মনে করেন, অ্যামি ব্যারেটের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ায় নাগরিক অধিকারের বিষয়গুলো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ব্যাখ্যায় আগামী দিনে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

অ্যামি ব্যারেট বিচারব্যবস্থা ও নাগরিক অধিকার নিয়ে রক্ষণশীল ধারণার।

বিজ্ঞাপন

ডেমোক্র্যাটদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাঁর উপস্থিতিতে ওবামা কেয়ার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে নিজেদের অনুকূলে আনতে চায় রিপাবলিকান পার্টি।

যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের কাছে স্বাস্থ্যসেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ডেমোক্র্যাট ভোটারদের ১০ জনের মধ্যে ৮ জনই স্বাস্থ্যবিমাকে তাঁদের অগ্রাধিকার তালিকায় রেখেছেন বলে জরিপে দেখা গেছে।

নির্বাচনের ফল নিয়ে কোনো সংকট তৈরি হলে তার মীমাংসার জন্য শেষ ধাপ সুপ্রিম কোর্ট। আর ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে একাধিকবার বলেছেন, এবারের নির্বাচনের ফল পেতে আদালত পর্যন্ত যেতে হতে পারে। এমনকি হেরে গেলে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো নিশ্চয়তাও তিনি দেননি। ফলে, সুপ্রিম কোর্টে এই সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে আরও দৃঢ় করতে চাইছেন রিপাবলিকানরা।

মন্তব্য পড়ুন 0