যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২০

ফল নির্ধারণী স্বতন্ত্র ভোটার তালিকাভুক্তি বেড়েছে

বিজ্ঞাপন
default-image

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নির্বাচন নিয়ে তেমন কোনো হইচই নেই। কোভিড-১৯ এ ছয় মাসে প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যুর ছাপ এ জনপদে। চিরচেনা উচ্ছল মার্কিনিদের এখনো তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে অদৃশ্য ভাইরাস। এরই মধ্যে চলছে নির্বাচনের তোড়জোড়।

এবারের নির্বাচনে যত প্রচার কার্যক্রম, তার সবই নির্দিষ্ট এলাকা ঘিরে। টিভি, রেডিও, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিফোনে প্রচারই বেশি। কদাচিৎ ঘরের সামনে ঝুলতে দেখা যায় কোনো প্রার্থীর চেনা পোস্টার। ডাকযোগেও পাঠানো হচ্ছে পোস্টার। ডাক দিয়ে কেউ বলছে না, ট্রাম্পকে বা বাইডেনকে ভোট দাও।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক বব উডওয়ার্ডের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারিতে হওয়া তাঁর কথোপকথন নিয়ে আবার ফেঁসেছেন ট্রাম্প। এ কথোপকথনের অডিও রেকর্ড থাকায় এবার আর ফেক নিউজ বলতে পারছেন না

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রচারণা দিয়ে জমিয়ে রাখছেন সংবাদমাধ্যমগুলোকে। তাঁর একের পর এক বেপরোয়া কথাও এখন অনেকটা গা-সওয়া হয়ে গেছে মার্কিনিদের। ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী জো বাইডেন বেরিয়ে আসছেন বেশ জোরালোভাবে। ট্রাম্পের মন্দ আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে জনগণ বাইডেনকে নির্বাচিত করবে—এমন ধারণা থেকে দ্রুত সরে এসেছে ডেমোক্রেটিক দল। প্রচারের অংশ হিসেবে নিজের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছেন বাইডেন। বলছেন ‘মেড ইন আমেরিকা’ বলে ট্রাম্প শুধু ফাঁকা বুলিই ছাড়ছেন। একই সঙ্গে নির্বাচিত হলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর স্বার্থ রক্ষার নীতিমালা ঘোষণা করছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘুরপাক খাচ্ছেন তাঁর নিজের গড়া সমস্যার বৃত্তে। আগের সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর দিয়ে একচোট গেছে যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাদের বিদ্রূপ করার জন্য। ‘ভুয়া সংবাদ’ সংবাদ বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও এখনো সে জের কাটাতে পারেননি তিনি। এরই মধ্যে প্রখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক বব উডওয়ার্ডের সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারিতে হওয়া তাঁর কথোপকথন নিয়ে আবার ফেঁসেছেন ট্রাম্প। এ কথোপকথনের অডিও রেকর্ড থাকায় এবার আর ফেক নিউজ বলতে পারছেন না। ভিন্নভাবে সামাল দেওয়ার কসরত করছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন লেজে-গোবরে দশাও তাঁর সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা কমাতে পারছে না। ফলে মনে করার কোনো কারণ নেই যে, এসব কারণে নির্বাচনে হেরে যাবেন ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন যেমন খুব সোজা, তেমনি জটিলও। জনমিশ্রণের কারণেই হোক, আর ঐতিহাসিক কারণেই হোক নির্বাচনে কোনো অঙ্গরাজ্যে কে জয়ী হবেন, তা অনেকটাই আগাম বলা যায়। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে ডেমোক্রেটিক ও রিপাবলিকান অঙ্গরাজ্য বেশ ভালোভাবেই চিহ্নিত।

নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়ার মতো বড় অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর জয়ী হওয়াটা অনেকটা অবধারিত। এসব অঙ্গরাজ্যে দলীয়ভাবে ভোটার তালিকাভুক্তিতেও নির্বাচনের ফলাফল অনুমান করা যায়। অধিকাংশ ভোটার নিজেকে তালিকাভুক্ত করার সময়ই দলের পরিচয় চিহ্নিত করেন। অনেকেই আগে থেকেই ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান হিসেবে নিজেদের তালিকাভুক্ত করেন। বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ভোটার তালিকাভুক্তির নিয়মও ভিন্ন ভিন্ন। আবার নিজেকে স্বতন্ত্র ভোটার হিসেবেও তালিকাভুক্ত করা যায়। তালিকাভুক্তির পরও দল পরিবর্তনের কথা জানানো যায় এবং সে অনুযায়ী রেকর্ড করা হয়।

সারা দেশের তালিকাভুক্ত ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক দলের তালিকাভুক্ত ভোটার বেশি। মোট তালিকাভুক্ত ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশই ডেমোক্র্যাট। বিপরীতে রিপাবলিকান দলের রয়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ ভোটার। এবারই প্রথম মতো দেখা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্বতন্ত্র তালিকাভুক্ত ভোটারের সংখ্যাও মোট ভোটারের ২৯ শতাংশের কিছু বেশি। জাতীয়ভাবে এ স্বতন্ত্র ভোটাররাই নির্বাচনে প্রার্থীদের জয়-পরাজয় নির্ধারণের শক্তি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের ব্যাপারটি এখন অনেকরই জানা হয়ে গেছে। জনবসতি বিবেচনায় অঙ্গরাজ্য অনুযায়ী ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন। ফলে এদিকটাতে খেয়াল রেখেই প্রার্থীরা তাঁদের প্রচার চালান। আবার এমন অঙ্গরাজ্যও রয়েছে, যারা কখনো ডেমোক্রেটিক দলের পক্ষে আবার কখনো রিপাবলিকান দলের পক্ষে ভোট দেয়। তালিকাভুক্ত ভোটারেরা আবার ভোটকেন্দ্রে যাবেই বা ডাকযোগে ভোট দেবেই—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।

২০১৬ সালের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অঙ্গরাজ্য পেনসিলভানিয়াতে মোট ভোটের প্রায় ১ শতাংশ ভোটের ব্যবধানে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প জয় পেয়েছিলেন। অথচ সেখানে রিপাবলিকানের চেয়ে তালিকাভুক্ত ডেমোক্র্যাট ভোটারের সংখ্যা প্রায় সাড়ে সাত লাখ বেশি। ফলাফল বলছে, ডেমোক্র্যাট ভোটারদের অনেকেই নিজ প্রার্থীকে ভোট দিতে কেন্দ্রে যায়নি।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
অ্যারিজোনা, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলাইনা, ওহাইও, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে প্রচার দেখলেই টের পাওয়া যায়, এবারের নির্বাচনে এগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। জনমত জরিপে জো বাইডেন জাতীয়ভাবে এগিয়ে থাকলেও এসব অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান এখন খুব অল্প

জাতীয় নির্বাচন হলেও নির্বাচনী প্রচারে এবার কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে দুই দল। অ্যারিজোনা, ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলাইনা, ওহাইও, পেনসিলভানিয়া ও উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যে প্রচার দেখলেই টের পাওয়া যায়, এবারের নির্বাচনে এগুলো কতটা গুরুত্বপূর্ণ। জনমত জরিপে জো বাইডেন জাতীয়ভাবে এগিয়ে থাকলেও এসব অঙ্গরাজ্যে দুই প্রার্থীর মধ্যে ব্যবধান এখন খুব অল্প। তালিকাভুক্ত ডেমোক্র্যাটদের কেন্দ্রে উপস্থিত না করাতে পারলে বা ডাকযোগে ভোট প্রদান নিশ্চিত না করতে পারলে ডেমোক্রেটিক দলকে এ দফাও হোয়াইট হাউসের বাইরে থাকতে হতে পারে।

করোনা মহামারির কারণে ডেমোক্রেটিক দলের প্রচার কার্যক্রম জুলাই মাস পর্যন্ত বেশ নিয়ন্ত্রিত ছিল। ওই সময়টিতে ট্রাম্পের প্রচার শিবির বসে থাকেনি। পেনসিলভানিয়ার উদাহরণ দিলেই দেখা যাবে প্রচার ও নির্বাচনী কৌশলে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে ডেমোক্রেটিক দল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৬ ও ২০২০ সালের মধ্যে পেনসিলভানিয়াতে প্রায় ২ লাখ নতুন রিপাবলিকান ভোটার তালিকাভুক্ত হয়েছে। একই সময়ে ডেমোক্র্যাটদের তালিকায় মাত্র ২৯ হাজার ভোটার বেড়েছে। মহামারির কারণে দেওয়া লকডাউনের সময় ডেমোক্র্যাটদের প্রচার কার্যক্রম মুখ্যত ছিল ভার্চুয়াল সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ। ট্রাম্প সমর্থকেরা এসবের পরোয়া না করেই দরজায় দরজায় কড়া নেড়েছে। প্রতিযোগিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোকে লক্ষ্য করে তারা গির্জার বাইরে ভোটার তালিকাভুক্তির প্রচার চালিয়েছে। এসব ভোটার তালিকাভুক্তির জন্য নির্বাচন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তালিকাভুক্ত ভোটারদের দলীয় পরিচয় পাল্টানোর পদ্ধতি নিয়ে রিপাবলিকান শিবির থেকে প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।

প্রচারে ট্রাম্প এগিয়ে থাকলেও সর্বশেষ ধরা খেয়েছেন বব উডওয়ার্ডের সঙ্গে তাঁর কথোপকথন নিয়ে। ‘রেইজ’ নামের একটি বই লিখছেন উডওয়ার্ড। প্রখ্যাত এ সাংবাদিক সাবেক প্রেসিডেন্টদের নিয়েও এমন বই লিখেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এ বইয়ের অনেক বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন উডওয়ার্ড। ট্রাম্পের অনুমতি নিয়েই এসব কথাবার্তা তিনি রেকর্ড করেছিলেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
‘মি. প্রেসিডেন্ট আপনি দেশের মানুষকে কেন মিথ্যা বললেন? এখন দেশের মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করবে কেন?’
সাংবাদিক, এবিসি নিউজ

বইটি প্রকাশের আগেই সংবাদ বেরিয়েছে, ট্রাম্প ফেব্রুয়ারি মাসেই কোভিড-১৯-এর ভয়াবহতার কথা জানতেন। এ নিয়ে স্পষ্ট নিজের উদ্বেগের কথা তিনি বলেছেন উডওয়ার্ডকে। অথচ সে সময়টিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন জনগণকে বলেছিলেন, আরেকটি স্বাভাবিক সর্দি-জ্বরের মতো অসুখ এ করোনাভাইরাস। ভাইরাসের ভয়াবহতা নিয়ে ট্রাম্প কখনোই জনগণকে সতর্ক করেননি।

করোনায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর দেশ এখন যুক্তরাষ্ট্র। ১ লাখ ৯২ হাজার লোকের মৃত্যুর তালিকার সামনে দাঁড়িয়ে দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পকে এখন তুলোধুনো করা হচ্ছে। ১০ সেপ্টেম্বর এবিসি নিউজের এক সাংবাদিক ট্রাম্পকে সরাসরি প্রশ্ন করেন—‘মি. প্রেসিডেন্ট আপনি দেশের মানুষকে কেন মিথ্যা বললেন? এখন দেশের মানুষ আপনাকে বিশ্বাস করবে কেন?’

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্বভাবসুলভ বাগাড়ম্বর দিয়ে এ প্রশ্নও সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলছেন, তিনি দেশের নেতা হিসেবে জনগণকে ভয় দেখাতে পারেন না। জনগণকে সাহস দিতেই এমনটি বলেছেন। তিনি মিথ্যা বলেননি।

এদিকে জো বাইডেন বলেছেন, ট্রাম্প করোনাভাইরাস মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। সময়মতো পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট সঠিক সিদ্ধান্ত নিলে বহু মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব হতো। ডেমোক্রেটিক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিসও একই কথা বলছেন। ট্রাম্প বলছেন, তিনি যথাযথ উদ্যোগই নিয়েছেন। না নিলে আমেরিকায় আরও বহুগুণ মানুষের মৃত্যু হতে পারত।

ডেমোক্রেটিক দলের প্রচারে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যেমন আক্রমণ করা হচ্ছে, তেমনি নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘চীন চীন’ করে মাঠ গরম করছেন। বলছেন, মার্কিন স্বার্থ রক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত পণ্যকে সেরার পর্যায়ে নিয়ে যাবেন।

এর বিপরীতে বাইডেন বলছেন, বাস্তবে ট্রাম্পের এসব কথার কোনো প্রতিফলন তাঁর কাজে নেই। এখনো উৎপাদন খাতে বাইরের দেশের কাছে মার খাচ্ছে মার্কিন পণ্য। চার বছরে এ নিয়ে দৃশ্যমান কিছুই করতে পারেননি ট্রাম্প। তিনি বলছেন, নিজে নির্বাচিত হলে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে কর সুবিধা দেবেন। এতে উৎপাদন ব্যয় কমবে ও আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন পণ্য এগিয়ে থাকবে। জো বাইডেনকে নৈরাজ্যবাদীদের সহযোগী হিসেবে ট্রাম্প উল্লেখ করলেও বাইডেন সহিংসতা ও লুটতরাজের বিরুদ্ধে স্পষ্ট বক্তব্য রাখছেন। তাঁর এসব বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অতি উদারনৈতিকদের থেকে তিনি নিজেকে আলাদা করে হাজির করতে পেরেছেন এরই মধ্যে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক সময় বিভিন্ন জনমত জরিপকে নির্বাচনী ফলাফলের জন্য অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য মনে করা হতো। কোনো পক্ষই এখন আর এসব জরিপের ফলাফলে আস্থা রাখতে পারছে না। কারণ লোকজন জরিপে এক কথা বলছে, ভোট দেওয়ার সময় ভিন্ন আচরণ করছে। কেউ কেউ জনমত জরিপে যোগ দিচ্ছে, অথচ ভোটকেন্দ্রেই যাচ্ছে না। ডাকযোগে ভোট দিতেও এসব লোকের মধ্যে কোনো আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।

তবে এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে ভাবা হচ্ছে স্বতন্ত্র ভোটারদের। যেকোনো নির্বাচনেই স্বতন্ত্র ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তবে এবার বেশিসংখ্যক স্বতন্ত্র ভোটার তালিকাভুক্ত হওয়ায় তাদের নির্বাচনের ফল-নির্ধারণী ক্ষমতা বেড়ে গেছে। আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রভাবক ভূমিকা রাখবেন তাঁরা। আবার এবার ডাকযোগে বেশি ভোট পড়বে। ফলে এই স্বতন্ত্র ভোটারদের আচরণ ফলের আগে অনুমান করাটা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন