বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
দ্য আটলান্টিকের প্রতিবেদনের স্বপক্ষে ফক্স নিউজে প্রতিবেদনটি করেছেন জেনিফার গ্রিফিন। এ কারণে তাঁর চাকরিচ্যুতির আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প
default-image

দ্য আটলান্টিকের প্রধান সম্পাদক জেফ্রি গোল্ডবার্গ প্রতিবেদনে বলেছেন, নিহত মার্কিন মেরিনদের স্মৃতিময় কবরস্থানে ট্রাম্প না যাওয়ার জন্য মিথ্যা অজুহাত দিয়েছেন। উপরন্তু, যুদ্ধে নিহত হওয়া ব্যক্তিদের একদল পরাজিত লোকজন বলে উল্লেখ করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত মার্কিন মেরিনদের ‘লুজারস’ ও ‘সাকার্স’ বলে বিদ্রূপ করেছেন।

হোয়াইট হাউস থেকে এ প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, এ সংবাদের কোনো ভিত্তি নেই। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাবেক মার্কিন সেনাসদস্যদের স্বার্থে কী সব কাজ করেছেন, তাঁর একটি ফিরিস্তি দেওয়া হয়েছে হোয়াইট হাউস থেকে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিবেদনটিকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, যেকোনো কিছু নিয়ে তিনি কসম করতে রাজি আছেন। তিনি এমন কথা বলেননি। তাঁর চেয়ে বেশি কেউ সাবেক মার্কিন সেনাসদস্যদের শ্রদ্ধা করার নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ নিয়ে অবশ্য তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করবেন না বলেও জানিয়েছেন।

সাবেক মার্কিন সেনাসদস্যদের নিয়ে আগেও প্রকাশ্য বিদ্রূপ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সিনেটর জন ম্যাককেইন সাবেক মার্কিন সেনাসদস্যদের মধ্যে নমস্য ছিলেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধে বন্দী হয়েছিলেন ম্যাককেইন। সাবেক যুদ্ধবন্দী হিসেবে ২০১৫ সালে প্রকাশ্যে বিদ্রূপ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, যাঁরা যুদ্ধে বন্দী হন, তাঁরা বীর হন কীভাবে? বীর হলেন তিনি, যিনি লড়াই করেন, ধরা না পড়ে জয়ী হতে পারেন।

সিনেটর জন ম্যাককেইন মারা যাওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর প্রতি কোনো শ্রদ্ধা দেখাননি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফক্স নিউজের ওই প্রতিবেদনকেও গুজব বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। ৪ সেপ্টেম্বর রাতেই ফক্স নিউজে সাংবাদিক জেনিফার গ্রিফিনের টুইট বার্তার কড়া সমালোচনা করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ওই প্রতিবেদন করার কারণে জেনিফার গ্রিফিনের চাকরি চলে যাওয়া উচিত। আমার বিশ্বাস, ফক্স নিউজও নষ্ট হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন