default-image

নেভাদা অঙ্গরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার সকাল পর্যন্ত জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তবে অঙ্গরাজ্যটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামীকালের আগে তারা কোনো ফল জানাতে পারবে না। তারা এখন নির্বাচনের ফল হালনাগাদ করা থেকে বিরত রয়েছে। বাইডেন মিশিগানে এগিয়ে যাওয়ায় এই অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠছে জয়-পরাজয় নির্ধারক।

নেভাদা অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) আগে ফল জানা যাবে না। যদিও এখন পর্যন্ত অঙ্গরাজ্যটির সরাসরি ও ডাকযোগে জমা পড়া সব ভোট গণনা হয়ে গেছে। তবে নির্বাচনের দিন আসা ডাকযোগে ভোটের গণনা বাকি আছে।

নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঠিক কত ভোট এখনো গণনার বাইরে রয়েছে, তা বলা মুশকিল। কারণ, সব ভোটারের কাছেই ডাকযোগে ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এগুলো পৌঁছাতে সময় লাগবে।

বিজ্ঞাপন
মোট সম্ভাব্য ভোটের ৮৬ শতাংশ গণনা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বাইডেন। আর ট্রাম্প পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৮ হাজারের কিছু বেশি

এবারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোর একটি নেভাদা। সেখানে জো বাইডেন ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। স্থানীয় সময় বুধবার সকাল পর্যন্ত সেখানে মোট সম্ভাব্য ভোটের ৮৬ শতাংশ গণনা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯ দশমিক ৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বাইডেন। আর ট্রাম্প পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। দুজনের ভোটের ব্যবধান ৮ হাজারের কিছু বেশি।

গত নির্বাচনে নেভাদায় জয় পেয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ভোটের ব্যবধান ছিল কম। মাত্র ২ শতাংশ পয়েন্টের ব্যবধানে অঙ্গরাজ্যটিতে জয় পেয়েছিলেন তিনি। ডেমোক্র্যাটরা আশা করছেন, অঙ্গরাজ্যটির লাতিন ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর যে চেষ্টা তাঁরা গত কয়েক বছর ধরে করেছেন, তার ফল মিলবে।

মুশকিল হচ্ছে করোনা মহামারির কারণে নেভাদা অর্থনীতি ভীষণ নাজুক হয়ে পড়েছে। পর্যটন নির্ভর অঙ্গরাজ্যটিতে এই দুর্যোগকালে বেকারত্ব ভয়াবহ রকম বেড়েছে। ফলে ডেমোক্রেটিক দলের ভোটারদের মধ্যে রাজনীতি, মহামারি ইত্যাদির চেয়েও নিজের ও নিজের পরিবারের বেঁচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা ভোটের মাঠে বড় প্রভাব রাখতে পারে বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকেরা।

মন্তব্য পড়ুন 0