বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
পরাজয় না মেনে সবকিছু থেকে বিযুক্ত থেকে ট্রাম্প ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াটিকে অসুন্দর করতে পারেন। আবার হাসিমুখে বাইডেনের অভিষেকে উপস্থিত থেকে ক্ষমতার বদল মুহূর্তটিকে সুন্দর করে নিজের সম্মান বাড়াতে পারেন তিনি। যেটাই করুন, আগামী ২০ জানুয়ারি বাইডেনের অভিষেক নিয়ম অনুযায়ীই হবে

২০১৮ সালে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে বিজয়ী হন ব্রায়ান কেম্প। বিষয়টি বোঝাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো উল্লেখ করেছে, সেবার তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী স্টেসি অ্যাডামস এই ফল মেনে নেননি। অভিযোগ তোলেন ভোট জালিয়াতির। তিনি কখনোই ব্রায়ান কেম্পকে বিজয়ী হিসেবে মেনে নেননি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর হিসেবে ব্রায়ান কেম্পই দায়িত্ব পালন করছেন। সেখানে নির্বাচনের ফল যখন সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রকাশ হয়েছে, তার পর প্রশাসনিক কাঠামোই বাকি কাজটুকু করে দিয়েছে।

এ ধরনের ঘটনা অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রের আধুনিক ইতিহাসে নেই। কিন্তু তারপরও ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি এমন কিছু করেন, তবে কোনো সমস্যা নেই। ক্ষমতা হস্তান্তর বিষয়ক কাঠামোটি নিজের মতোই কাজ করবে। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্প কী করলেন, না করলেন, তাতে কোনো ভ্রুক্ষেপ থাকবে না কারও।

হ্যাঁ, নতুন প্রেসিডেন্টের কাছে বিদায়ী প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে একেবারেই যে কিছু করার নেই, তা নয়। নিয়ম অনুযায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিতে হয়, যা ট্রাম্প এরই মধ্যে করেছেন। ট্রাম্প ও বাইডেন শিবির অনেক আগে থেকেই এ প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ফলে এ ক্ষেত্রে কোনো জটিলতা নেই। বিষয়টি সুন্দর হচ্ছে, নাকি হচ্ছে না—সেটিই এখন মুখ্য প্রশ্ন। পরাজয় না মেনে সবকিছু থেকে বিযুক্ত থেকে ট্রাম্প ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়াটিকে অসুন্দর করতে পারেন। আবার হাসিমুখে বাইডেনের অভিষেকে উপস্থিত থেকে ক্ষমতার বদল মুহূর্তটিকে সুন্দর করে নিজের সম্মান বাড়াতে পারেন তিনি। যেটাই করুন, আগামী ২০ জানুয়ারি বাইডেনের অভিষেক নিয়ম অনুযায়ীই হবে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন