বিজ্ঞাপন
default-image

বৈঠক শেষে দেওয়া মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতে বলা হয়েছে, বহির্বিশ্বে সম্প্রচারে নিয়োজিত এসব মার্কিন সংস্থাগুলোর সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেসব দেশে সংবাদমাধ্যম চাপের মধ্যে রয়েছে, স্বাধীন সাংবাদিকতাকে দমিয়ে রাখা হচ্ছে, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করা হচ্ছে বা মতপ্রকাশের জন্য দণ্ড আরোপ করা হচ্ছে—সেসব দেশের ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলোর সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় মার্কিন সংবাদমাধ্যম বারবার তাঁর মৌখিক আক্রমণের শিকার হয়েছে। একইভাবে বহির্বিশ্বে সম্প্রচারের ক্ষেত্রেও ভয়েস অব আমেরিকাসহ ইউএসএজিএম নিয়ন্ত্রিত মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো নিরপেক্ষ ও স্বাধীন সাংবাদিকতা করছে না বলে অভিযোগ উঠে। সাবেক ট্রাম্প প্রশাসনের সময়কার ইউএসএজিএমের প্রধান নির্বাহী মাইকেল প্যাক বেশ কিছু সমালোচনাকারী সাংবাদিক ও কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করেছিলেন।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইউএসএজিএম কর্মকর্তাদের নসিহত করে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে মহান দেশ এবং তাঁদের প্রশাসনের ইতিবাচক সংবাদ তুলে ধরা কোনো ‘ভুয়া সংবাদ’ নয় বলে তিনি তাঁর বক্তৃতায় বলেছিলেন। বলেছিলেন, মার্কিন সরকারের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরাই ভয়েস অব আমেরিকার কাজ হতে পারে না।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শপথ গ্রহণের পরদিনই তৎকালীন ইউএসএজিএম প্রধান মাইকেল প্যাককে চাকরিচ্যুত করেন। মার্কিন এই সংস্থাটির আগের চার বছরের কার্যক্রম নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে ভেতর থেকেই। বর্তমান প্রশাসনের পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে ভয়েস অব আমেরিকাসহ ইউএসএজিএম নিয়ন্ত্রিত মার্কিন সংস্থাগুলো স্বাধীন সংবাদ প্রবাহে সক্রিয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইউএসএজিএম মার্কিন স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতাকে সমর্থন করে সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন