বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেস ভবনে তাণ্ডব চালানোর পর হামলাকারীদের পক্ষ নিয়ে টুইট করার পর টুইটার থেকে নিষিদ্ধ করা হয় ট্রাম্পকে। এরপর তিনি আর জনসমক্ষে আসেননি। জনসমক্ষে আসেন একেবারে বিদায়ের দিন অ্যান্ড্রুজ সামরিক ঘাঁটিতে।

default-image

সেখানে তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। প্রেসিডেন্টের বিদায়ের জন্য এটা ছিল খুবই অস্বাভাবিক একটা ব্যাপার। তাঁর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য গণমাধ্যমকর্মীরাও ছিলেন না। এমনকি ফ্লোরিডার পাম বিচে পরিবারসহ ট্রাম্পের পৌঁছানোর ঘটনা জানাতে ফক্স নিউজ কোনো সাংবাদিক পাঠায়নি। প্রভাবশালী গণমাধ্যমগুলোও সেখানে হাজির হয়নি। একজন প্রেসিডেন্টের জীবনে এটা খুবই বিষাদময় দিন।

জিম অ্যাকোস্তা আরও বলেন, ‘ট্রাম্প খুব বেশি দিন এ রকম চুপ করে থাকতে পারবেন না। আমার ধারণা, এই পরিস্থিতি সাময়িক। ট্রাম্পকে এক সময় হোয়াইট হাউসে পাঠানো রাজনৈতিক শক্তি হয়তো আবারও মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। সে সম্ভাবনাও হয়তো আছে। এ ছাড়া আমি বলতে পারি, ট্রাম্প ভবিষ্যতে এ দেশে অন্তত একটি কঠোর আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে যাচ্ছেন।’

default-image

তবে অ্যাকোস্তা এ-ও বলেছেন, প্রেসিডেন্সির শেষ মুহূর্তে রেকর্ড পরিমাণ অজনপ্রিয়তার কারণে একটি প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেওয়া এবং নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় আসার হয়তো আর কোনো সম্ভাবনা নেই ট্রাম্পের। আর যদি অভিশংসন বিচারে তিনি দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে তাঁর রাজনৈতিক জীবন এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারে।

অ্যাকোস্তা বলেন, ট্রাম্প মূলত যুক্তরাষ্ট্রের ২২ ও ২৪তম প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ডের সঙ্গে নিজেকে তুলনা করেন। গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড মাঝে এক দফা বাদ দিয়ে দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ট্রাম্পও হয়তো সে রকম ভাবছেন। তবে গ্রোভার দ্বিতীয় দফা জয়ী হয়েছিলেন জনপ্রিয়তার কারণে, যা তাঁর তুলনায় ট্রাম্পের একেবারে কম। ট্রাম্প হয়তো অতটা জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে আনতেও পারবেন না।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন