বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

শুধু সদস্যই হারাচ্ছে না মার-এ-লাগো। হারাচ্ছে সদস্য ফি বাবদ পাওয়া বড় অঙ্কের অর্থ। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকাকালে কোনো কোনো সদস্য এমনকি এই রিসোর্টের সদস্যপদ রাখতে ২ লাখ ডলার করেও দিতেন। কিন্তু এখন আর এমনটা ঘটবে না। লরেন্স লিমার বলেন, এখন সদস্যরা হয়তো আগের চেয়ে ঢের কম অঙ্কের অর্থ ট্রাম্পের জন্য রেখে যাচ্ছেন। তাঁরা আগের মতো ফি দিতে পারবেন না।

মার্কিন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে মার-এ-লাগো নিয়ে ঠাট্টা মশকরা অবশ্য হরদম চলে। এই রিসোর্ট নিয়ে অনেকে তামাশা করে বলেন, এটি হচ্ছে নীরস ও খিটখিটে মেজাজের বুড়োদের ক্লাব, যেখানে ট্রাম্পই একমাত্র স্মরণীয়। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই ট্রাম্পস্তুতির পুরোটিই আবার ভাঁওতা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার ঠিক আগে আগে রিসোর্টটিতে গিয়েছিলেন টিভি ব্যক্তিত্ব জিমি কিমেল। গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে তিনি সে সময়ের স্মৃতি নিয়ে বলেন, ‘বিশ্বাস করবেন না, কী কৌতুককর সেখানকার পরিবেশ। সেখানে থাকা সবাই ১০০ বছর বয়সী, যারা সব সময় নরম খাবার খায়। আর পুরো জায়গাটি ট্রাম্পের ছবিতে মোড়ানো। এটা ভীষণ নীরব ও ভয়াবহ একটি জায়গা। আর এখন ট্রাম্প সেখানেই বাস করছেন।’

লরেন্স লিমার বলছেন, এই পাম বিচেও কেউ তাঁকে পছন্দ করে না। লিমারের এই বক্তব্যের তো প্রমাণই আছে। কারণ, ট্রাম্প যখন বাইডেনের বিজয় ঠেকাতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন, তখনই মার-এ-লাগোর আশপাশের বাসিন্দারা এই দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন, ট্রাম্প যেন প্রেসিডেন্সির পর মার-এ-লাগোতে না থাকেন

করোনা মহামারির এই সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মালিকানাধীন হোটেল অ্যান্ড হসপিটালিটি কোম্পানিগুলো ভীষণ আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে আগে ব্যবসা বাড়ে মার-এ-লাগোর। এই সময়ে এর ব্যবসা ২ কোটি ১৪ লাখ থেকে বেড়ে ২ কোটি ৪২ লাখ ডলারে পৌঁছায়। এর আগেই ২০১৯ সালে ট্রাম্প তাঁর স্থায়ী নিবাসের ঠিকানা নিউইয়র্ক থেকে বদলে এই মার-এ-লাগোতে নিয়ে আসেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, তিনি শেষ পর্যন্ত এখানে স্থায়ীভাবে বাস করতে পারবেন কিনা। কারণ, এটি পাম বিচ শহর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ১৯৯৩ সালে হওয়া তাঁর নিজের চুক্তিকেই লঙ্ঘন করে।

ট্রাম্প নিউইয়র্ক ছেড়েছিলেন কারণ, সেখানে কেউ তাঁকে পছন্দ করে না। এটা ওপরের কথা। ভেতরের কথা ছিল, নিউইয়র্কের অঙ্গরাজ্য ও নগর কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ঠুকেছিল। সেই ক্ষোভ ও অভিমান থেকে তিনি ঠিকানাই বদলে চলে এলেন ফ্লোরিডায়।

কিন্তু লরেন্স লিমার বলছেন, এই পাম বিচেও কেউ তাঁকে পছন্দ করে না। লিমারের এই বক্তব্যের তো প্রমাণই আছে। কারণ, ট্রাম্প যখন বাইডেনের বিজয় ঠেকাতে উঠেপড়ে লেগেছিলেন, তখনই মার-এ-লাগোর আশপাশের বাসিন্দারা এই দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন, ট্রাম্প যেন প্রেসিডেন্সির পর মার-এ-লাগোতে না থাকেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন