বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এদিকে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের অনুরোধের প্রেক্ষাপটে এবং রিপাবলিকান দলকে প্রস্তুতি নেওয়ার সময় দিতে ডেমোক্র্যাটরা ৯ ফেব্রুয়ারির আগে শুনানি শুরু না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে জো বাইডেন তাঁর অগ্রাধিকার তালিকাভুক্ত বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর মন্ত্রিসভা চূড়ান্ত করবেন।

উল্লেখ্য, সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ৬ জানুয়ারি জো বাইডেনের বিজয় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে প্রত্যয়নের সময় ট্রাম্প ক্যাপিটল হিলের বাইরে ডাকা সমাবেশে নিজের সমর্থকদের প্রতি ‘যুদ্ধ’ করে নির্বাচনের ফল বদলে দেওয়ার আহ্বান জানান। সেই ডাকে সাড়া দিয়ে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকেরা শেষ পর্যন্ত ক্যাপিটল হিলে হামলা চালায়। এ অবস্থায় ‘রাষ্ট্রদ্রোহে’ উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রস্তাব আনা হয় প্রতিনিধি পরিষদে। এ প্রস্তাব দ্রুত পাস হয়, যার পক্ষে ১০ জন রিপাবলিকান সদস্যও ভোট দেন। সিনেটে এমন হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে সিনেটের সাবেক সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা মিচ ম্যাককনেল ৬ জানুয়ারির ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছিলেন। একইভাবে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন সিনেটর মিট রমনি।

এ বিষয়ে মিট রমনি সিএনএনকে বলেন, ‘যে অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আমরা যা দেখেছি, তা হলো রাষ্ট্রদ্রোহে উসকানি, যা অভিশংসনযোগ্য অপরাধ। এটা যদি অভিশংসনযোগ্য না হয়, তবে আর কোনটি হবে?’

মিট রমনি প্রথম অভিশংসন প্রক্রিয়াতেও একমাত্র রিপাবলিকান সিনেটর হিসেবে ট্রাম্পের অভিশংসনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।

তবে সবাই মিট রমনির মতো নন। মার্কো রুবিওর মতো অনেক সিনেটর আছেন, যারা এই অভিশংসন প্রক্রিয়াকে ‘বোকামো’ বলছেন। এ বিষয়ে তিনি ফক্স নিউজকে বলেছেন, ‘এই দেশ এমনিতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে আছে। এর মধ্যে এমন পদক্ষেপ এতে ঘি ঢালার কাজটি করবে, যা এই আগুনকে আরও বিধ্বংসী করে তুলবে।’

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন