default-image

নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানি এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান কুশীলব। ট্রাম্পকে বর্তমানে নির্বাচন সংক্রান্ত আইনের নানা ফাঁক নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারের শুরু থেকেই জুলিয়ানিকে পাশে রেখেছেন। এক সময় নিউইয়র্কের জনপ্রিয় মেয়র ছিলেন রুডি জুলিয়ানি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঘটনার পর বিধ্বস্ত নগরীকে দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিয়েছিলেন জুলিয়ানি। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ তাঁকে ‘আমেরিকার মেয়র’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

পরে রুডি জুলিয়ানি নানা কারণে সমালোচিত হতে থাকেন। সবশেষ ২০১৮ সালে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে বিচ্ছেদের মুখে পড়েন। জুডিথ জুলিয়ানির সঙ্গে তাঁর ব্যয়বহুল বিয়ে বিচ্ছেদ সংবাদের শিরোনাম হয়েছে। জুলিয়ানি নিজেও স্বীকার করেছেন, তৃতীয়বারের অভিজ্ঞতাটি মোটেই ভালো ছিল না।

বিজ্ঞাপন
পেনসিলভানিয়ার নির্বাচনের ফল দেখার জন্য বিখ্যাত আইন প্রতিষ্ঠান রিট মরিস অ্যান্ড আর্থারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যাওয়ার পর আইন প্রতিষ্ঠানটিকে রাজ্যের সব মামলার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এখন সব মামলা জুলিয়ানিই দেখছেন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পেয়েও আলোচিত হয়েছিলেন জুলিয়ানি। সম্প্রতি নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্প শিবির থেকে সব রাজ্য মিলে ঠিক কতটি মামলা দায়ের হয়েছে, এর হিসাব কারও কাছে নেই। যদিও নির্বাচনের দুই সপ্তাহের মাথায় উল্লেখযোগ্য প্রমাণসহ ভোট জালিয়াতির কোনো মামলা তাঁরা আলোচনায় নিয়ে আসতে পারেননি।

ট্রাম্পের এহেন বিপর্যয়ের মুখে এখন রুডি জুলিয়ানি হাল ধরেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সবাইকে সরিয়ে জুলিয়ানিকেই সব মামলা দেখা এবং এ নিয়ে কথা বলার দায়িত্ব দিয়েছেন। অ্যারিজোনার ভোট গণনা নিয়ে করা একটি মামলায় হেরে যাওয়ার পরই ট্রাম্প তাঁর ব্যক্তিগত আইনজীবী রুডি জুলিয়ানিকে সামনে নিয়ে এসেছেন। অন্য কাউকে আর ঠিক ভরসা করতে পারছেন না তিনি।

ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের একটি অংশ মনে করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়তে হলে জুলিয়ানির এমন উপস্থিতি ট্রাম্পের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে

ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের বরাত দিয়ে রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের মধ্যেই জুলিয়ানিকে নিয়ে বিরোধিতা রয়েছে। তাঁদের মতে, রুডি জুলিয়ানি নানা বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত আশা দিচ্ছেন। উপদেষ্টাদের একটি অংশ মনে করেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ২০২৪ সালের নির্বাচনে লড়তে হলে জুলিয়ানির এমন উপস্থিতি ট্রাম্পের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেনসিলভানিয়ার নির্বাচনের ফল দেখার জন্য বিখ্যাত আইন প্রতিষ্ঠান রিট মরিস অ্যান্ড আর্থারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যাওয়ার পর আইন প্রতিষ্ঠানটিকে রাজ্যের সব মামলার দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। এখন সব মামলা জুলিয়ানিই দেখছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0