default-image

প্রবল উত্তেজনাপূর্ণ নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত হওয়ার পর এখন কী করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? তিনি কি বাস্তবতা মেনে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত? এর সরাসরি কোনো উত্তর নেই। তবে হোয়াইট হাউসের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানিয়েছে, তিনি দ্রুত বাস্তবতা মেনে নেওয়ার জন্য এখনো প্রস্তুত নন।

সিএনএন জানায়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচার শিবিরের ভেতরে ও বাইরের কিছু সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্রুত এই বাস্তবতা মেনে নেবেন বলে তাঁরা মনে করেন না। তিনি অনেকটা নীরব হয়ে গেছেন। নির্বাচনী দৌড়ে হেরে যাওয়ায় পীড়ন বোধ করছেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বলছেন, ফক্স নিউজে প্রকাশিত যেকোনো খবরকে খড়কুটোর মতো আঁকড়ে ধরতে চাইছেন ট্রাম্প। তিনি বোধ হয় কখনোই এই বাস্তবতা মানতে পারবেন না বলে উল্লেখ করেছেন এক উপদেষ্টা। আরেক উপদেষ্টা বলেন, ট্রাম্প এই মুহূর্তে ভীষণ একা হয়ে পড়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টারা চাইছেন না, ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স এই মুহূর্তে ট্রাম্পের পেছনে থাকুন।

মাইক পেন্সের অবস্থান সম্পর্কে জানেন এমন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়াতে চান মাইক পেন্স। এ কারণে তিনি এখন ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করছেন, যাতে তাঁর সুযোগটি হাতছাড়া না হয়।

বিজ্ঞাপন

এদিকে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে ইউরোপ থেকে অভিনন্দন বার্তা পেতে শুরু করেছেন জো বাইডেন। এরই মধ্যে আয়ারল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমন কোভেনি বাইডেনকে টুইট বার্তার মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মাইকেল মার্টিন তাঁর অভিনন্দন বার্তায় বলেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়ে বলতে চাই, তিনি তাঁর পুরো জীবন আমাদের জাতির বন্ধু ছিলেন। সামনের দিনগুলোতে তাঁর সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। যখন সঠিক পরিস্থিতি তৈরি হবে তখন তাঁকে আমাদের দেশে অভ্যর্থনা জানানোর অপেক্ষায় আছি আমি।’

আরেক টুইট বার্তায় আইরিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমন কোভেনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জো বাইডেনকে। আমরা বাইডেন-হ্যারিস প্রেসিডেন্সির সঙ্গে কাজ করতে এবং আইরিশ-মার্কিন সম্পর্কের উন্নয়নসহ আরও অনেক কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

মন্তব্য পড়ুন 0