কর্মী ছাঁটাই করবে না মার্কিন অভিবাসন বিভাগ

বিজ্ঞাপন
default-image

অর্থ সংকটের কারণে কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে মার্কিন অভিবাসন বিভাগ। এর পরিবর্তে এখন বিভিন্ন আবেদনের ফি বাড়িয়ে কাজ চালিয়ে যাবে এই বিভাগটি।

মার্কিন অভিবাসন বিভাগ অর্থ সংকটের কারণে প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেয়। ৩০ আগস্ট থেকে অভিবাসন বিভাগের এ কর্মচ্যুতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কংগ্রেসে দুই দলের আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে চাপের কারণেই অভিবাসন বিভাগ ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগের পলিসি ডিরেক্টর জোসেফ এলডো জানিয়েছেন, কর্মী কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা ব্যাপক ব্যয়বহুল। যদিও এ সিদ্ধান্তে বিভাগ কত দিন থাকতে পারবে, এ নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

মার্কিন অভিবাসন বিভাগ অর্থ সংকটের কারণে প্রায় ১৩ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নেয়। ৩০ আগস্ট থেকে অভিবাসন বিভাগের এ কর্মচ্যুতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কংগ্রেসে দুই দলের আইনপ্রণেতাদের পক্ষ থেকে চাপের কারণেই অভিবাসন বিভাগ ওই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর গত মে মাসে অভিবাসন বিভাগ কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা জানিয়েছিল। করোনা সংক্রমণের কারণে দেশটিতে অভিবাসন প্রায় বন্ধ হয়ে আছে। বিভিন্ন আবেদনের ফি বিভাগটির আয়ের অন্যতম উৎস ছিল। কংগ্রেসের বিশেষ অনুমোদন ছাড়া ২০২১ সালে বিভাগটি স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। এ কারণে অভিবাসন আবেদনের জন্য আবেদনকারীদের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হবে।

করোনা সংক্রমণের কারণে দেশটিতে অভিবাসন প্রায় বন্ধ হয়ে আছে
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বর্তমানে অভিবাসন আবেদনের দীর্ঘসূত্রতায় নানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। লোকজন কাজের অনুমতির জন্য, আশ্রয় আবেদন সুরাহার জন্য অপেক্ষা করছেন মাসের পর মাস, বছরের পর বছর। মার্চ মাস থেকে কার্যকর হওয়া লকডাউনের কারণে এ বছরেই অভিবাসন বিভাগ ৫৭১ মিলিয়ন ডলারের ভর্তুকিতে পড়েছে বলে প্রথমে জানানো হয়েছিল।

এরপরই অভিবাসন বিভাগ বিভিন্ন খাতে অর্থ সাশ্রয় শুরু করে। হঠাৎ করেই অভিবাসনের বিভিন্ন আবেদনের ফি বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এমন ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিবাসন বিভাগ এখন জানাচ্ছে, তারা ২৩০ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পেরেছে। সাশ্রয় করা এ অর্থ দিয়ে অভিবাসন বিভাগ আসছে নভেম্বর পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে পারবে। এর মধ্যেই কংগ্রেস হস্তক্ষেপ করবে বলে অভিবাসন বিভাগ মনে করে।

মার্চ মাস থেকে কার্যকর হওয়া লকডাউনের কারণে এ বছরেই অভিবাসন বিভাগ ৫৭১ মিলিয়ন ডলারের ভর্তুকিতে পড়েছে। এরপরই অভিবাসন বিভাগ বিভিন্ন খাতে অর্থ সাশ্রয় শুরু করে। হঠাৎ করেই অভিবাসনের বিভিন্ন আবেদনের ফি বাড়িয়ে দেওয়া হয়
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টেক্সাস থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান সিনেটর জন করনিন বলেছেন, লোক ছাঁটাই করে ব্যয় সংকোচন অভিবাসন পদ্ধতিকেই নাজুক করে তুলবে। করোনাভাইরাস এমনিতেই আমাদের অনেক অনিশ্চয়তায় ফেলে দিয়েছে। ছাঁটাই এড়িয়ে অভিবাসন বিভাগ অভিবাসন প্রত্যাশী লোকজন এবং পরিবারগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন