default-image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি আগাম ভোট দিয়েছেন। কিন্তু নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারেননি। করোনাভাইরাস তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। তাই তাঁর ভোট আর গণনায় থাকছে না। উইসকিন অঙ্গরাজ্যের আইন অনুযায়ী নির্বাচনের ভোট গণনার আগে কেউ মারা গেলে তাঁর অগ্রিম ভোট গণনায় আনা হয় না।

২০ বছর তরুণী অ্যাম্বার প্রায় এক যুগ ধরে ক্যানসারে ভুগছিলেন। তবে রাজনীতির প্রতি তার দীর্ঘদিনের আগ্রহ ছিল! তাই জীবনে প্রথমবারের মতো এবার ভোট দিয়ে বেশ গর্বিত ছিলেন এই তরুণী।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অ্যাম্বারের ভোটটি বাতিল হয়ে যাবে। কারণ, মেইল-ইন ব্যালট পূর্ণ করে ছাড়ার পর নির্বাচনের দিন পর্যন্ত তিনি বেঁচে থাকতে পারেননি।

শুধু অ্যাম্বার নয়, উইসকনসিনের কয়েক ডজন এমন ভোট এবার বাতিল হয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেকে ব্যালট পূরণ করে ছাড়েন, কিন্তু ভোটের দিনের আগেই করোনাভাইরাস বা অন্য কোনো রোগে মৃত্যু হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

করোনা মহামারির কারণে এবার রেকর্ড সংখ্যক মানুষ অগ্রিম ভোট দিচ্ছেন। ইতিমধ্যে আট কোটির বেশি অগাম ভোট পড়েছে। এ কারণে এবারই আগাম ভোটের এই আইনটি সামনে চলে আসে।

উইসকনসিনের মত আইওয়া, মিশিগান, নর্থ ক্যারোলাইনা ও পেনসিলভানিয়ায় আগাম ভোট দিয়ে নির্বাচনের আগে মারা গেলে সে ভোট রাজ্যের আইন অনুযায়ী বাতিল হয়ে যায়।

অন্যদিকে অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, ফ্লোরিডা এবং ওহাইওতে এমন ভোট বাতিল নয়, গণনায় আনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যে আবার এ বিষয়ে নির্বাচনী আইন স্পষ্ট নয়। করোনা মহামারি এবারের নির্বাচনকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করছে। অগাম ভোট দিয়েছেন ও নির্বাচনের আগেই করোনায় প্রাণ হারাচ্ছেন, এমন ভোটারের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য পড়ুন 0