default-image

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান পার্টির কর্মীরা ভোট ‘সার্টিফিকেশন’ মুলতবি চান। আজ রোববার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

মিশিগানের রিপাবলিকান কর্মীরা ইতিমধ্যে অঙ্গরাজ্যের ইলেক্টোরাল বোর্ডের কাছে এ বিষয়ে লিখিত দিয়েছেন।

ভোট ‘সার্টিফিকেশন’ দুই সপ্তাহের জন্য মুলতবি চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছেন মিশিগানের রিপাবলিকান কর্মকর্তারা।

বিজ্ঞাপন

একই সঙ্গে তাঁরা সেখানকার বৃহৎ কাউন্টির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটের ‘নিরীক্ষা’ চেয়েছেন।

তবে মিশিগানের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট তাৎক্ষণিকভাবে এই দাবির ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছে।

মিশিগানের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট বলেছে, ‘সার্টিফিকেশন’ বিলম্বিত করা ও ভোট অডিট করা আইন সমর্থন করে না।

মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন জয়ী হয়েছেন।

মিশিগানের ইলেক্টোরাল বোর্ডে দুজন ডেমোক্র্যাট ও দুজন রিপাবলিকান রয়েছেন। তাঁদের সোমবার বসার কথা। এবং নির্বাচনের ফল ‘সার্টিফাই’ করার কথা রয়েছে।

ইলেক্টোরাল বোর্ডের সিদ্ধান্ত পরে মিশিগানের সেক্রেটারি অব স্টেট অনুমোদন করবেন। তারপর করবেন গভর্নর। তাঁরা দুজনই ডেমোক্র্যাট। তাই সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা যুক্তি ছাড়া ফলাফলে কোনো পরিবর্তন তাঁরা সমর্থন করবেন না বলেই মনে হয়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর দলের ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে বর্ণনা করেছেন সেক্রেটারি অব স্টেট।

মিশিগানের রিপাবলিকান নেতারা ইতিমধ্যে বাইডেনকেই বিজয়ী বলে মেনে নিয়েছেন। ট্রাম্প গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মিশিগানের দুই রিপাবলিকান নেতা মাইক শার্কি ও আইনসভার স্পিকার লি চ্যাটফিল্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য পাইনি, যাতে মিশিগানের ভোটের ফলাফল উল্টে যাবে।’

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনাকে ট্রাম্পের জন্য আরেকটা ধাক্কাটা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ১৬টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট রয়েছে। এখানে ট্রাম্পের চেয়ে দেড় লাখের বেশি ভোট পেয়েছেন বাইডেন।

এবারের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণ করা হয় ৩ নভেম্বর। তার দুই দিনের মধ্যেই নিশ্চিত হয়ে যায়, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন জো বাইডেন।

বাইডেনের ঝুলিতে জমা পড়েছে ৩০৬টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট। ট্রাম্প জিতেছেন ২৩২টি ইলেক্টোরাল ভোট। হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করতে একজন প্রার্থীকে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেতে হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0