নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এইচ-১বি ভিসাসহ উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীসহ অন্যান্য ভিসার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে দেশে কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনাও তিনি হাতে নিয়েছেন।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে চলতি বছরের জুনে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এইচ-১বি ভিসা স্থগিত ঘোষণা করেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন তিনি। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে মার্কিন মুলুকে কর্মরত ভারতীয় ও চীনা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায়। প্রায় দুই লাখের বেশি মানুষ যারা এ দেশে এইচ–১বি ভিসায় ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তারা আশাহত হন।

এমনকি, এ বছরের আগষ্টের প্রথম সপ্তাহে এই বিষয়ে স্বাক্ষর করার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, মার্কিনরা যাতে এখানে ভালোভাবে বাস করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন, বিদেশ থেকে সস্তা মজুরীতে কর্মীদের এ দেশে এনে কাজ করানোতে মার্কিন সংস্থাগুলো স্থানীয় নাগরিকদের চাকরির বাজার খারাপ করে দিচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগেই সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ডো বাইডেন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এলে ট্রাম্পের জারি করা এইচ–১বি ভিসা স্থগিতের আদেশ তিনি তুলে দেবেন। বাইডেন তার প্রতিশ্রুতি রক্ষায় নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন, যাতে হাজার হাজার ভারতীয় ও চাইনিজ তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীরা এখন আশার আলো দেখছেন।

বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে অস্থায়ীভাবে যে ভিসা দেওয়া হয়, সেটিকে এইচ-১বি ভিসা বলা হয়। এই ভিসাটি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দেওয়া হয়। এইচ-১ বি ভিসাটি প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য দেওয়া হয়। তারপর সেটা ছয় বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।

কর্মীরা এই ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গ্রিনকার্ড না হয়, তবে সেক্ষেত্রে কর্মীকে পরবর্তী এক বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকতে হয় এবং এরপর আবারও এইচ-১বি ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0