default-image

আমরা যারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকি, এমন সংকটে তাদের দুটি দেশ নিয়ে ভাবতে হয়—বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র। গত বছরের ২৪ এপ্রিল লকডাউনের মধ্যে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দুজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কোভিড-১৯ বিষয়ে কথা হয়েছিল। এঁদের একজন ভার্জিনিয়ার শ্যানানডোয়া মেমোরিয়াল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাসুদ বক্স। অন্যজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন। এবার টিকা নিয়ে আবারও দুজনের সঙ্গে কথা হয়। পৃথিবীর দু প্রান্তের দুটি দেশ, অথচ এবারও আশ্চর্যজনকভাবে তাদের উত্তরগুলোর মিল চোখে পড়বে। আবার তফাৎগুলো তাদের কথা থেকে ধরা পড়বে।

অনেক টিকার এসেছে এবং আসছে। যেমন ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, আবার জনসন অ্যান্ড জনসন আসি আসি করছে। এদের মধ্যে কি ভালো–মন্দ আছে?

ডা. মাসুদ (যুক্তরাষ্ট্র): এগুলো সব কটি ভালো। ফাইজার ও মডার্নার টিকার এমআরএনএ (mRNA) টিকার। অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা এমআরএনএ টিকার নয়, লাইভ ভেক্টর টিকার। এখানে এমআরএনএর বদলে ডিএনএ ব্যবহার করা হয়। এফিকেসিতে দেখা যাচ্ছে, ফাইজারের টিকার ৯৫%, মডার্না ৯৪.১%, অ্যাস্ট্রাজেনেকা ৭২%। কিন্তু বিষয়টি হচ্ছে, এই টিকা যত বেশি মানুষ নেবে, তত তাড়াতাড়ি এই রোগটি নির্মূল সম্ভব হবে। তাই বাছবিচার না করে যেকোনো টিকার ৬০ ভাগের ওপরে কার্যকারিতা থাকলে, সেটাই নেওয়া উচিত। সবাই নিয়ে ফেললে আমরা এই মহামারি থেকে বের হয়ে আসতে পারব।

ড. হোসেন উদ্দিন (বাংলাদেশ): আসলে মন্দ ভ্যাকসিন বলতে যে বিষয়টি করোনার ক্ষেত্রে আলোচনায় উঠে এসেছে, তা হলো এই টিকাগুলোর কোনোটার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া কেমন? এদের থার্ড ফেজ ট্রায়াল সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা, হলে এর ফলাফল কেমন? এই টিকাগুলো কি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ডে যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন এসেছে, তার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে? ইত্যাদি। এক কথায় উত্তর হলো, এত কিছু না ভেবে আপনার হাতের কাছে এই মুহূর্তে যে টিকার সহজে আপনি পাচ্ছেন, তা নির্দ্বিধায় গ্রহণ করুন। কারণ, অক্সফোর্ডের তৈরি কোভিশিল্ড, ফাইজার বা জনসন অ্যান্ড জনসনের টিকারর মধ্যে প্রস্তুত প্রণালি ও কার্যকারিতার হারের পার্থক্য থাকলেও এরা সবাই আপনার করোনা প্রতিরোধে সহায়ক হবে।

বিজ্ঞাপন

মানুষের মধ্যে টিকার সম্পর্কে কিছু সংশয়, ভয় তৈরি হচ্ছিল। সেটা কি এখন দেখা যাচ্ছে? নাকি সবাই টিকার নিতে আগ্রহী হয়ে উঠছে?

ডা. মাসুদ বক্স: টিকা প্রথমে স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের দেওয়া হলো। মানুষের মধ্যে সংশয় ছিল, কিন্তু অনেককে যখন দেওয়া হয়ে গেছে, এখন সংশয় অনেক কমে গেছে। প্রথমে মানুষ সেভাবে টিকার নিতে আসত না। এখন টিকার দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ড. হোসেন উদ্দিন: করোনার অস্তিত্ব বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে যাও বা এই মুহূর্তে কিছুটা প্রতিভাত হচ্ছে, গ্রামেগঞ্জে কিন্তু করোনা তেমন কোনো আলোচ্য বিষয় নয়। বিষয়টা করোনার শুরু থেকেই ছিল। এখন এই ধারণা অনেকটাই বদ্ধমূল হয়েছে, করোনা শহরের রোগ, ধনীদের রোগ। এটি গ্রামের মানুষের কিছুই করতে পারবে না। বাংলাদেশে টিকার নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল বা হয়েছে কিছুটা রাজনৈতিক কারণে আর কিছুটা অজ্ঞতার কারণে। সেই সংশয় থেকে মানুষ এখন ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসছে।

টিকার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোনো আশঙ্কা আছে কি?

ডা. মাসুদ বক্স: যেকোনো টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। করোনার এই টিকায় দুই/চার দিন মাথা ব্যথা, জ্বর—এসব থাকতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদি কিছু বা জীবনের আশঙ্কা হতে পারে, এমন কিছু দেখা যায়নি। প্রায় ৫০ মিলিয়ন টিকা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ হাজার ১০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতকরা হারে বেশ নগণ্য বলা যায়, ০.০০২২ শতাংশ। কিন্তু এসব মৃত্যুও সরাসরি টিকার কারণে হয়নি বলে জানা গেছে। কাজেই ভয়ের কিছু নেই।

ড. হোসেন উদ্দিন: কতগুলো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে, যেমন টিকার নেওয়ার পর হালকা জ্বর জ্বর অনুভব করা, মাংসপেশিতে ব্যথা, রেশ ওঠা ইত্যাদি। তবে দীর্ঘমেয়াদে কী হবে, বিশেষত যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্ত চাপ, ক্রনিক কিডনি ডিজিজ প্রভৃতি রোগ আছে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

টিকার কি সুষ্ঠু ভাবে দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করেন? কোনো পরামর্শ?

ডা. মাসুদ বক্স: যেটুকু জোগান আছে, সেটা সংখ্যালঘু জনগণের কাছে সেভাবে পৌঁছানো যাচ্ছে না। সংখ্যালঘু হলো সুবিধা বঞ্চিত কালো, এশীয় বা স্প্যানিশ মানুষ, বিশেষত যারা গরিব। কারণ, টিকা নিতে যাওয়ার জন্য তাদের পরিবহন ব্যবস্থা নেই। অনেক জায়গায় আইডি দেখতে চাওয়া হচ্ছে, তাদের অনেকের আইডি নেই। এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার অভাব আরেকটি কারণ। আর এই টিকা নেওয়ার জন্য টিভিতে, অন্যান্য মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারও কিন্তু হচ্ছে না। সেদিকে নজর দেওয়া উচিত।

ড. হোসেন উদ্দিন: বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের বয়সসীমার শর্ত কিছুটা শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এখন থেকে ৪০ বছরের বেশি বয়সীরা সবাই স্থানীয় যেকোনো সরকারি হাসপাতালে গিয়ে করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পারবেন। নিবন্ধনও সেখানেই করানো যাবে।

এর আগে বলা হয়েছিল, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রথম দফা টিকাদান কর্মসূচিতে স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখসারিতে থাকা মানুষেরা এবং ৫৫ বছরের বেশি বয়সীরা টিকা নিতে পারবেন। পরামর্শ হলো, সবাইকে টিকা নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে হবে। টিকা যেন কার্যকর থাকতেই প্রয়োগ করা হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক হতে হবে। কোল্ড চেইন সঠিকভাবে বজায় রাখতে হবে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে টিকার সফল প্রয়োগের লক্ষ্যে দক্ষ জনবল ও সংরক্ষণাগার নিশ্চিত করতে হবে। কোভিশিল্ড টিকা ছাড়াও অন্যান্য উৎস থেকে একাধিক টিকার সংগ্রহের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে।

মনে রাখতে হবে, করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট যেমন আসছে, ঠিক তেমনি নতুন নতুন মোডিফাইড টিকাও বাজারে আসবে। তখন যেন আমরা টিকার সংগ্রহের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে না পড়ি।

আমরা এখনো জানি না, এসব টিকা কত দিন আমাদের সুরক্ষা দিতে পারবে! এমনও হতে পারে, একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর এই টিকা আমাদের নিতে হতে পারে। তা ছাড়া নতুন ধরনের ব্যাপারটি তো রয়েই যাচ্ছে। বয়স ও স্বাস্থ্যের অবস্থা ভেদে, টিকা রেসপন্স বিভিন্ন রকম হতে পারে।

কবে নাগাদ সবাই, যারা বয়সে কম এবং সুস্থ, তারাও টিকা পাবেন বলে মনে করেন?

ডা. মাসুদ বক্স: তাদের জন্য এপ্রিলের পর থেকে শুরু হবে। আশা করা যায়, গ্রীষ্মের শেষ (জুলাই/আগস্ট) নাগাদ দুশ মিলিয়ন মানুষ টিকা পেয়ে যাবে।

ড. হোসেন উদ্দিন: এটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে অক্সফোর্ডের টিকা কোভিশিল্ড, যা ভারতে তৈরি হচ্ছে। যারা টিকা নিচ্ছেন, তাদের এই মুহূর্তে অন্য কোনো পছন্দ নেই। সরকার সচেষ্ট আছে আরও টিকার আনা ব্যাপারে। আশা করা যায়, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে আরও নতুন কিছু টিকা এসে যাবে, যা সব বয়সী মানুষের জন্য সহজলভ্য হবে।

হার্ড কমিউনিটি কবে আসতে পারে বলে ভাবছেন?

ডা. মাসুদ বক্স: সত্তর ভাগ মানুষকে টিকার দিতে পারলে হার্ড কমিউনিটি আসবে। টিকা বিতরণে আরেকটু জোর দিলে অক্টোবর নাগাদ হার্ড কমিউনিটি আসতে পারে।

ড. হোসেন উদ্দিন: সেটি নির্ভর করছে কত দ্রুত মানুষ টিকার আওতায় আসছে তার ওপর। তা ছাড়া আমাদের দেশে এই মুহূর্তে সেরো সার্ভিল্যান্স করে জরিপ করা উচিত ছিল, যার মধ্য দিয়ে আমরা জানতে পারতাম, দেওয়া টিকা বাদেই কত শতাংশ লোকের মধ্যে ইতিমধ্যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। অনুমানের ভিত্তিতে বলা কঠিন। তবে আশা করা যায়, বছরের শেষ নাগাদ আমরা হয়তো হার্ড ইমিউনিটিতে পৌঁছাতে পারব।

নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে যা শোনা যাচ্ছে, তাতে কোনো নতুন বিপর্যয় হতে পারে কি?

ডা. মাসুদ বক্স: করোনা নতুন ধরনে একই টিকা কাজ করছে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন ধরনের ব্যাপারে এখনো বোঝা যাচ্ছে না। আরেকটা কথা মনে রাখতে হবে, করোনাভাইরাসের ক্রমাগত বিবর্তন হচ্ছে, কাজেই বর্তমান চারটি ধরনের বাইরেও নতুন কিছু আসতে পারে। বিষয়টি আশঙ্কার হলেও সুসংবাদ হচ্ছে, এমআরএনএ টেকনোলজি ব্যবহার করে দ্রুত নতুন ধরনের জন্য আরেকটি টিকা তৈরি করা সম্ভব।

ড. হোসেন উদ্দিন: হ্যাঁ, হতেই পারে। করোনার নতুন ধরন ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ব্রাজিলে দেখা দিয়েছে এবং বাজারের প্রচলিত টিকাগুলো এসব ধরনের বিরুদ্ধে তেমন কার্যকর বলে মনে হচ্ছে না। যেমন দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া ধরন B.1.351/N501Y/501Y.V2, অনেক বেশি সংক্রামক এবং মডার্না, ফাইজার ও কোভিশিল্ড (অক্সফোর্ড) ভ্যাকসিন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরি করে, তা যথেষ্ট নয় বলে প্রতীয়মান হয়েছে। নতুন ধরন অনেক বেশি প্রাণঘাতী হিসেবে আবির্ভাব হতে পারে, যা ইতিমধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

এই টিকা নেওয়া হয়ে গেলে মানুষ কি কোভিড-১৯ থেকে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত থাকতে পারে?

ডা. মাসুদ বক্স: এটি এখনো বলা যাচ্ছে না। টিকা নেওয়ার পরও কোভিড-১৯–এ সংক্রমিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, তবে জীবনের সংকট দেখা দিচ্ছে না। অল্প কিছুদিন হলো টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে, কাজেই এটি কত দিন পর্যন্ত সুরক্ষা দেবে, সেটা বুঝতে একটু সময় লাগবে। টিকা নেওয়া মানেই সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত নয়। মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা—এসব মেনে চলতে হবে। তবে টিকা নিলে কোভিড-১৯–এ সংক্রমণের আশঙ্কা অনেক কমে যাচ্ছে।

ড. হোসেন উদ্দিন: নাহ। কারণ আমরা এখনো জানি না, এসব টিকা কত দিন আমাদের সুরক্ষা দিতে পারবে! এমনও হতে পারে, একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর এই টিকা আমাদের নিতে হতে পারে। তা ছাড়া নতুন ধরনের ব্যাপারটি তো রয়েই যাচ্ছে। বয়স ও স্বাস্থ্যের অবস্থা ভেদে, টিকা রেসপন্স বিভিন্ন রকম হতে পারে। সে ক্ষেত্রে টিকা নেওয়ার পরও কোভিড-১৯ থেকে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্ত হওয়া যাবে বলে মনে করি না। তবে সাময়িকভাবে এটা নিশ্চিত, টিকা নেওয়ায় সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর হার ব্যাপকভাবে কমে যাবে।

ডা. মাসুদ বক্স, আপনি চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে নিজেই কোভিড-১৯–এ আক্রান্ত হয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় চলে গিয়েছিলেন। অনেক দিন ভেন্টিলেটরে ইন্ডিউসড কোমায় ছিলেন। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আপনি মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। কোভিড-১৯ রোগটি নিয়ে আপনার ব্যক্তিগত এই অভিজ্ঞতার কথা কিছু বলবেন?

ডা. মাসুদ বক্স: আমি যখন করোনা সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে যাই, তখন নিজেই হেঁটে বাসা থেকে বেরিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে উঠেছি। জ্বর ছিল, কিন্তু কোনো শ্বাসকষ্ট ছিল না। হাসপাতালে গিয়ে অবস্থার অবনতি হয়। তিন ঘণ্টার মধ্যে আমাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেসব কথা আমার মনে নেই, সামান্য ভাসা ভাসা ডাক্তার-নার্সদের কথা মনে পড়ে। আমার অক্সিজেন সেচুরেশন অনেক কমে যাওয়ায় আমি নিজেই কর্তব্যরত চিকিৎসককে ভেন্টিলেটর দেওয়ার অনুরোধ করি। তারপর আমি জেগে উঠি আরেক হাসপাতালে। এর মধ্যে ১২ দিন চলে গেছে। পরে শুনেছি, আমার অবস্থা বেশি সংকটাপন্ন হওয়ায় এয়ারলিফটে করে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যাই হোক, সবার দোয়ায় ও চিকিৎসকদের অসামান্য প্রচেষ্টায় আমি সুস্থ হয়ে উঠি। তবে আমাকে নতুন করে হাঁটতে শিখতে হয়েছে, নিজের কাজগুলো করতে শিখতে হয়েছে, এমনকি জামার বোতাম পর্যন্ত লাগাতে পারতাম না। কয়েক মাস থেরাপি নিতে হয়েছে। এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। আমি আবার আগের মতোই কাজ করতে পারছি। সবাই দোয়া করবেন।

বিজ্ঞাপন
অভিমত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন