বিজ্ঞাপন

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় এ পর্যন্ত ৫ লাখ ৯৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। তবে আশার কথা হলো, যুক্তরাষ্ট্রে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচির কারণে নানা রাজ্যে সংক্রমণ কমে এসেছে। তারপরও সংক্রামক রোগের বিস্তার ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে নানা সুরক্ষাব্যবস্থা। আর নিজের ও আপনজনদের সুরক্ষার জন্য এই বিধিনিষেধ মানতেই হবে। তাই, মানুষ এই ঈদেও আগের মতো বাঁধভাঙা আনন্দে শামিল হতে পারছে না।

এমনিতে রমজান মাসকে সিয়াম সাধনার মাস বলা হলেও এ মাস মুসলমানদের কাছে বিশেষভাবে সহমর্মিতা ও মানুষে-মানুষে মিলের বাণী নিয়েই হাজির হয়। এ কারণে রমজান মাস এলেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মুসলমানরা সাহরি, ইফতার নানা সময়ে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু একদম গত বছরের মতো না হলেও এবারও রমজান মাস ভিন্ন রকম গেছে। ইফতার বা সাহরিতে খুব বড় আয়োজন দেখা যায়নি। করোনা থেকে রক্ষা পেতে এবার ঈদেও মুসলমানরা এক নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হবেন সন্দেহ নেই। অন্যবারের মতো তাঁরা হয়তো পরস্পরকে আলিঙ্গন করে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে পারবেন না।

নিজ, আপনজন ও সমাজের কথা ভেবে এবারের ঈদেও মুসলিমদের সামাজিক দূরত্ব মেনেই পরস্পরকে শুভেচ্ছা জানানো উচিত। অন্যের প্রতি ও ভালোবাসার মানুষটির প্রতি নিজের কর্তব্যবোধ থেকেই মানুষ এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি মেনে নেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা। সবার শুভ হোক। ঈদ মোবারক।

অভিমত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন