বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমরা জানি নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রে ফুড কার্ট ব্যবসায় বাংলাদেশিরা দক্ষ। সে সুনাম রয়েছে। কিন্তু যতটুকু জানি, কেবল তার মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রাখলে সামনের দিনগুলোতে টিকে থাকা কষ্টকর হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে আমাদের প্রতিযোগিতা করতে হবে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদির সঙ্গে। তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে সবার দক্ষতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।

কর্মক্ষেত্রে বা চাকরির প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে পড়াশোনার পাশাপাশি ডিজিটাল জ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর প্রয়োজন আছে। কোভিড-১৯ মহামারি থেকে বেরিয়ে আসার এ সময়েও যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার ৬ দশমিক ১ শতাংশ। তারপরও দক্ষতার অভাবে কাজ করার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। মহামারির সময়ে কাজ ছেড়ে আসা বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী আর কাজে ফিরছে না। অনেকেই অবসরে চলে গেছে। কিন্তু সেই হিসাবে চাকরির বাজারে নতুন কর্মী যোগ হয়েছে অনেক কম। গত এক বছর কার্যত মার্কিন অভিবাসন বন্ধ থাকায় এই জনপ্রবাহে আসা কর্মজীবীদেরও কাজে পাওয়া যাচ্ছে না। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বেকারভাতার মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে অনেক কর্মজীবী আপাতত নতুন কাজ খুঁজছেন না।

এই মুহূর্তে কাজের জন্য পর্যাপ্ত লোক পাওয়াই অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্যই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি নিত্যদিনের কাজ চালানোর জন্য পর্যাপ্ত কর্মী পাচ্ছে না তারা। এখন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। কর্মী সংগ্রহের জন্য তারা মজুরি বৃদ্ধি, স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা, কাজে যোগদানের আগেই বোনাসসহ নানা প্রণোদনা ঘোষণা করছে। এটাই সুযোগ, এই সব সুবিধা গ্রহণ করতে হবে। নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহযোগিতাও করতে হবে একে অপরকে। তাহলেই নিজের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি দেশের সুনামও বৃদ্ধি পাবে। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

অভিমত থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন