default-image

হোম কেয়ার এজেন্সি আরএফও (রিকোয়েস্ট ফর অফার) অনুমোদিত না হলে কী করবেন—এমন প্রশ্ন বর্তমানে এজেন্সি কর্মকর্তাদের কাছে হরহামেশা গ্রাহকদের করতে দেখা যায়। এর জবাবে অনেক এজেন্সি গ্রাহকদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে থাকে। আবার গ্রাহকদের অনেকেই সঠিক উত্তর না পেয়ে হতাশায় ভোগেন।

গ্রাহকেরা আরও মনে করেন, আরএফও অনুমোদিত না হলে সিডিপ্যাপ কি বাতিল হয়ে যাবে?

এ ক্ষেত্রে আরএফও তালিকাপ্রাপ্ত এমঅ্যান্ডএন হোম কেয়ারের ডিরেক্টর অব বিজনেস আলতাফ হোসেন বলেন, কোনো এজেন্সির যদি আরএফও তালিকাভুক্ত না থাকে, তবে তারা অবশ্যই ঝুঁকিতে থাকবে। আর তালিকাভুক্ত ৬৮টি এজেন্সির সঙ্গে কোনো এজেন্সি যদি সমন্বয় করে গ্রাহক সেবা দেয়, তাহলে কোনো অসুবিধা হবে না।

আলতাফ হোসেন আরও বলেন, তালিকাভুক্ত না থাকা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্টেট যেকোনো ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারবে। এজেন্সি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রাহকদের কোনো অসুবিধা হবে না। গ্রাহকেরা যেকোনো তালিকাভুক্ত এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সিডিপ্যাপ সেবা দিতে পারবেন। গ্রাহকদের অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, তাঁরা যেকোনো সময় যেকোনো এজেন্সি বদল করতে পারবেন। তবে তালিকাভুক্ত ৬৮টি এজেন্সির যেকোনোটি নির্ভরযোগ্য মনে করে তাৎক্ষণিকভাবে ওই এজেন্সির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সিডিপ্যাপ সেবা দিতে পারবেন।

বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি নিউইয়র্কের হোম কেয়ারের ওপর স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ থেকে নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রিকোয়েস্ট ফর অফার (আরএফও) তালিকাভুক্ত না হলে ৯০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছে ডিওএইচ। তবে করোনার কারণে সেই ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে কিছুটা শিথিলতা প্রদান করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিউইয়র্ক স্টেটের ৬৮ প্রতিষ্ঠান আরএফও তালিকাভুক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন এমঅ্যান্ডএন হোম কেয়ার।

যেসব হোম কেয়ার তালিকায় স্থান পায়নি, সেসব হোম কেয়ারকে তালিকাভুক্ত হোম কেয়ারের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ (ডিওএইচ)।

তালিকাভুক্তির বিষয়ে ডিওএইচ আরও একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। আর তা হলো তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য এজেন্সিগুলোর কাছ থেকে কিছু চাহিদাপত্র চাওয়া হয়েছে। চাহিদা পূরণ করতে পারলে ওই এজেন্সি তালিকাভুক্ত হতে পারবে। তবে ডিওএইচের চাহিদাপত্র বা নিয়মকানুন খুবই কঠিন বলে জানা গেছে।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন