default-image

নিউইয়র্কের সাউথ এশিয়ান সিডিপ্যাপ-এর পক্ষে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ইমিগ্রান্ট এল্ডার হোম কেয়ার এলএলসির সিইও এবং মূলধারার রাজনীতিক গিয়াস আহমেদ বলেছেন, ডিপার্টমেন্ট অব হেলথের হোম কেয়ার প্রোগ্রাম-সিডিপ্যাপ (আত্মীয় বা প্রতিবেশীর মাধ্যমে সেবা) সার্ভিস বন্ধ হচ্ছে না। সিডিপ্যাপ সার্ভিস বন্ধ হচ্ছে বলে কিছু ব্যক্তি যে গুজব ছড়াচ্ছে, তাতে কান না দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানিয়েছেন।

এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যারা গুজব ছড়াচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে অনেক মেম্বার এবং কেয়ার গিভার কোম্পানির জালিয়াতির প্রমাণসহ ডিপার্টমেন্ট অব হেলথের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে বলে সাউথ এশিয়ান সিডিপ্যাপ জানতে পেরেছে। যারা ফোন করে বা মেসেজ দিয়ে সিডিপ্যাপ মেম্বার এবং কেয়ার গিভারদের কাছে এ ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে, তাঁদের ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ চিহ্নিত করবে বলে আমরা আশা করছি। গিয়াস আহমেদ বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সাউথ এশিয়ান হোম কেয়ার মালিকদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সভায় সিডিপ্যাপ সংক্রান্ত গুজব নিয়ে আলোচনা এবং তীব্র নিন্দা জানানো হয়। পাশাপাশি আরএফওর কোয়ালিশনের পরবর্তী করণীয় নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মতামত উঠে এসেছে।

সভায় ইমিগ্রান্ট এল্ডার হোম কেয়ারের গিয়াস আহমেদ, বারী হোম কেয়ারের আসেফ বারী এবং মুনমুন বারী, ডিএইচ কেয়ারের শাহরিয়ার, গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের শাহ নেওয়াজ, দাদা হোম কেয়ারের সাঈদ হায়াত, ব্যাঙ্গল হোম কেয়ারের জামিল মাহমুদ, বাংলা হোম কেয়ারের আবু জাফর মাহমুদ, ডাইরেক্ট সোর্স হোম কেয়ারের নাজিম উদ্দিন, সারা হোম কেয়ারের শাহজাদী পারভীন ও স্বপ্ন হোম কেয়ারের মিজবাহ আবেদিন উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

গিয়াস আহমেদ আরও বলেন, আরএফও নিয়ে কিছু ব্যক্তি নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে সাউথ এশিয়ান সিডিপ্যাপ জানতে পেরেছে। বাংলাদেশি মালিকানাধীন এল্ডার হোম কেয়ায়, বারী হোম কেয়ার, ডিএইচ কেয়ার, গোল্ডেন এজ হোম কেয়ার, ব্যাঙ্গল হোম কেয়ার, বাংলা হোম কেয়ার, ডাইরেক্ট সোর্স হোম কেয়ার, দাদা হোম কেয়ার, সারা হোম কেয়ার, স্বপ্ন হোম কেয়ার আলাদাভাবে এবং আরও ৪০টি হোম কেয়ারের সঙ্গে কোয়ালিশন করে গত বছর আরএফওর জন্য আবেদন করেছিল। আমাদের কোয়ালিশনের মধ্য থেকে বুলেভার্ড হোম কেয়ার এবং কমিটেড হোম কেয়ার আরএফওতে উইন করেছে। এ কোয়ালিশনের কারণে আমরা যারা সিডিপ্যাপ প্রোগ্রাম পরিচালনা করছি, তাঁরা আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছি এবং আগের চেয়ে ভালো সার্ভিস প্রদান করতে সক্ষম হব। পাশাপাশি সব এমএলটিসির সার্ভিস প্রদানেও আমরা এগিয়ে থাকব।

তিনি বলেন, গুজব ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমরা আশা করব গুজব সৃষ্টিকারীরা দ্রুতই চিহ্নিত হবেন।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন