বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ওজোন পার্কে একই ব্যক্তি সচেতন বিয়ানীবাজারবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন ভোটকেন্দ্র নিয়ে। তাঁরা বলেছেন, প্রার্থী বা কোনো ভোটারের পক্ষে এই সম্মেলন নয়, তবে কার জন্য তারা ভোট কেন্দ্র চাচ্ছেন? আমি তাঁদের বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচন হতে যে পরিমাণ জায়গার প্রয়োজন সে অনুযায়ী ওজোন পার্কে কোনো হল নেই। তখন নির্বাচন কমিশন গঠনতন্ত্রের ১০ (খ) ধারা অনুযায়ী কার্যকরী পরিষদের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, পরিষদের সদস্য এবং নির্বাচন কমিশনের সদস্যসহ তিন পরিষদের যৌথ সভার মাধ্যমে ওজোন পার্কের সন্নিকটে জয়া হলে ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়। সম্মেলনে বলা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের একক সিদ্ধান্তে কেন্দ্র নির্ধারিত হয়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ইতিপূর্বে একাধিকবার সমিতির নির্বাচন ওজোন পার্ক ছাড়াও নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান বলেন, ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ শব্দ সম্পর্কে ওই ব্যক্তিদের মোটেই ধারণা নেই। তাঁরা বক্তব্যে বলেছেন, ওজোন পার্কে নাকি অর্ধেক ভোটার, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এবারের সর্বমোট ভোটার ৫ হাজার ৩৬৭ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ৯৯৭ জন ভোটার ওজোন পার্কের অর্থাৎ ৩৮% ভোটার। তাঁরা বলেছেন, জয়া হলে বর্তমান সেক্রেটারির বিজনেস ইন্টারেস্ট আছে এবং তিনি স্বত্বাধিকারী। সম্মেলনের ‘সচেতনবাসী’রা জানেন যে, জয়া হলের মালিক একজন নন, সাতজন। তাই এ ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট বক্তব্য দিয়ে ওজোন পার্কবাসীদের মধ্যে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন। ওজোন পার্ক থেকে জয়া হলে যেতে বাস যোগাযোগের সুব্যবস্থা আছে। বাফেলো, ফিলাডেলফিয়া, ব্রঙ্কস, এস্টোরিয়া, জ্যামাইকা থেকে আসতেও কিছুটা সহজ হবে। সবচেয়ে বেশি সুবিধা ওজোন পার্কবাসীর হবে জয়া হলে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে বদ্ধ পরিকর। সবার সহযোগিতা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই সব ভোটার ও বিয়ানীবাজারবাসীদের প্রতি অনুরোধ, কারও কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে ১০ অক্টোবরের নির্বাচনে আপনারা অংশ নিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে সমিতিকে শক্তিশালী করুন।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন