বিজ্ঞাপন

বক্তারা বলেন, রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা ও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের মাধ্যমে বাংলাদেশে সাংবাদিকতার কণ্ঠ চেপে ধরার চেষ্টার নগ্নরূপ ফুটে উঠেছে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

ডাইভার্সিটি প্লাজার সমাবেশে হাতে লেখা পোস্টার নিয়ে প্রতিবাদকারীরা অংশ নেন। সমাবেশ শুরু হলে অন্যান্য কমিউনিটির মানুষকেও সংহতি জানাতে দেখা যায়। সাংস্কৃতিক সংগঠক তোফাজ্জল লিটনের সঞ্চালনায় প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তৃতা করেন লেখক, সাংবাদিক ইব্রাহীম চৌধুরী, প্রবীণ আইনজীবী শেখ আখতারুজ্জামান, মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবদুল মুকিত চৌধুরী, সাংবাদিক এফ এফ এম মিসবাউজ্জামান, নিহার সিদ্দিকী, নাজমুল আহসান, আবু তাহের, শামিম আল আমীন, এ বি এম সালাহ উদ্দিন, শাখাওয়াত হোসেন, এম বি তুষার, এইচ বি রিতা, রওশন হক, গোপাল সৈন্যাল, মাহফুজুর রহমান, বিশ্বজিত সাহা, রোকেয়া দীপা, শহীদুল ইসলাম, রওশন আরা, মনজুরুল হক, শিরিল হাসান, জাকির হোসেন, শামীম আহমেদ, মাহমুদুল চৌধুরী, আবদুশ শহীদ, মনিজা রহমান, মাহবুবুর রহমান, ফকু চৌধুরী, ইমাম কাজই কাইয়্যুম, শওকত রচি প্রমুখ।

আইনজীবী শেখ আখতারুজ্জামান বলেন, রোজিনা ইসলামের নামে যে মামলা করা হয়েছে, তার সারমর্ম দেখলেই বোঝা যায় এই মামলা বিদ্বেষপ্রসূত। এ মামলার কোনো ভিত্তি নেই।

ডাইভার্সিটি প্লাজার সমাবেশের কিছুক্ষণ পরপর রোজিনা ইসলামে মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলে লেখক, সাংবাদিক ও জনসমাজের প্রতিনিধিরা বক্তৃতায় উল্লেখ করেন।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সোমবার দুপুরে বাসা থেকে বের হন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলাম। এরপর স্বাভাবিক নিয়মে তিনি আর বাসায় ফিরতে পারেননি। ২৩ ঘণ্টার অবর্ণনীয় ঝড় সইতে হয়েছে তাঁকে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়ের করা মামলায় তাঁকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন