default-image

‘মহামারি করোনা: ডেটলাইন নিউইয়র্ক’ বইটি মহামারি সময়ের দলিল বলা যেতে পারে। করোনার এই চলমান অস্থির সময়কার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ে। গত বছরের মার্চে শুরু হওয়া কোভিড-১৯ এ সবচেয়ে বিপর্যস্ত নগরীর এক ত্রাহি চিত্র রয়েছে এ বইয়ে। সেই সময়ে বাঁচার জন্য অসুস্থ মানুষের আহাজারি, মৃত্যুর মিছিল, লাশের স্তূপ, স্বজন হারানো মানুষের কান্না, শূন্য ভুতুড়ে নগরীর কথকতা নিয়ে লেখা একদল অক্লান্ত সাংবাদিকের লেখা রিপোর্ট, ফিচার, তথ্য প্রামাণ্য দলিল হয়ে উঠেছে এই গ্রন্থটিতে।

লেখক ও সাংবাদিক ইব্রাহীম চৌধুরীর ‘মহামারি করোনা: ডেটলাইন নিউইয়র্ক’ শীর্ষক বই নিয়ে এক অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় এসব কথা বলেন অতিথিরা। ১৭ এপ্রিল ব্রঙ্কসের একটি রেস্তোরাঁয় বই নিয়ে আলোচনায় যোগ দেন নগরীর নানা পর্যায়ের লোকজন।

ইব্রাহীম চৌধুরী বলেন, এ বই কোনো ইতিহাস লেখার অভিপ্রায় থেকে গ্রন্থিত হয়নি। কারও অবদানকে ছোট বা বড় করে দেখানোর জন্যও নয়। একদল পেশাদার, অপেশাদার লেখক-সাংবাদিক সমাজ সভ্যতার কঠিন সময়ে কেমন করে ঘটনাগুলোকে দেখেছেন এবং উপস্থাপন করেছেন তার চিত্র রয়েছে বইটিতে।

বিজ্ঞাপন

উপস্থিত রাজনীতিক, কমিউনিটি সংগঠক, লেখক ও সাংবাদিকেরা গত বছর মার্চের শুরু থেকে করোনায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যুর নগরী নিউইয়র্কে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। করোনার সময় বিপন্ন স্বদেশিদের নানা সহযোগিতায় জড়িত লোকজন সংক্ষেপে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

আড্ডায় আলাপে যোগ দেন—রহমান মাহবুব, খায়রুল ইসলাম, রাজুব ভৌমিক, জুয়েল মাহবুবুর, সৈয়দ উতবা, ইপন আহমেদ চৌধুরী, অনির্বাণ খন্দকার, শাহরিয়ার তুষার, শাহ আহমদ, বাঁধন তুষার, এম বি তুষার, শেলী জামান খান, মণীষা তৃষা, রিমি রুম্মান, পলি শাহীনা, মামুন আহমেদ, রব্বানী চৌধুরী, আবদুর রহিম বাদশাহ, শামিম আহমেদ, এজাজ আলম, মাসুম আহমেদ, হাবিব ফয়েজি, শাহ আহমদ, খলিলুর রহমান প্রমুখ।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন