বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সচেতন প্রবাসী বিয়ানীবাজারবাসীর পক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শামীম আহমেদ, আবদুল নূর, মইনুল হোসেন, মাহি উদ্দিন ও সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সালেহ আহমেদ। পরে অন্যরা উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

লিখিত বক্তব্যে সমিতির সাবেক কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেন, উত্তর আমেরিকায় জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি। এই সংগঠনের বহু প্রতীক্ষিত নির্বাচন ১০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন সমিতির কার্যক্রমে স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের ফলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। বিগত দিনে সংগঠনটির দৃশ্যমান কার্যক্রম শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছিল। সাধারণ সদস্যরা নির্বাচন বর্জন করায় সমিতির কার্যক্রমে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এমতাবস্থায় বিয়ানীবাজার সমিতির সাবেক কর্মকর্তা এবং বিয়ানীবাজারবাসীর আবেগ ও আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান জানাতে এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেন। সংগঠনের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটারের নাম দুটি প্যানেলের মাধ্যমে জমা পড়েছে। নতুন ভোটারদের উৎসাহ ও পুরোনোদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, সুষ্ঠু অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। মানুষের শ্রদ্ধা ও বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শুরু থেকে বিভিন্ন প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে একক আধিপত্য বজায় রেখে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ানীবাজারের জনগণের ও সমিতির আজীবন ও সাধারণ সদস্যদের মতামতের কোনো গুরুত্ব না দিয়ে স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় নির্বাচনের স্থান নির্ধারণ করেন। ফলে সচেতন মহল ও ভোটারেরা উদ্বিগ্ন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, নিউইয়র্কে বসবাসরত বিয়ানীবাজারবাসীর অধিকাংশ মানুষ ও ভোটারদের বসবাস ওজোন পার্কে। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ানীবাজার সমিতির স্থায়ী ভবনটিও ওজোন পার্কে অবস্থিত। প্রতি বছরের মতো সবাই আশা করেছিলেন, নির্বাচনে ভোটগ্রহণের কেন্দ্রটি ওজোন পার্কে হবে। ভোটারদের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বর্তমান কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটি সম্মিলিতভাবে একটি প্যানেলের পক্ষপাতদুষ্ট হয়ে সাধারণ সম্পাদক ও উপদেষ্টার মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জয়া হলে কেন্দ্র নির্ধারণ করেছেন। এই কেন্দ্র যাতায়াতের জন্য কোনো ট্রেন সার্ভিস নেই, বাস যোগাযোগও অপ্রতুল।

এমতাবস্থায়, যদি কোনো কারণে ভোটগ্রহণে বাধাগ্রস্ত হয় এর দায় নেবে কে? ভোট কেন্দ্রে যাতায়াতে অর্থ ও সময়ের অপচয় হবে। ওজোন পার্কে ভোটকেন্দ্র হলে সময় ও অর্থের অপচয় হবে না এবং নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও দাবি করা হয়, ভোটাধিক্যের প্রয়োজনে দুটি কেন্দ্র একটি ওজোন পার্কে এবং অপরটি দ্বিতীয় ভোটার বহুল স্থানে নির্ধারণ করা যেতে পারে। তাঁরা এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন