default-image

আমেরিকার মূলধারার কর্মজীবীদের সংগঠন কমিউনিকেশনস ওয়ার্কার অব আমেরিকার (সিডাব্লিউএ) কেন্দ্রীয় নেতা ও নিউইয়র্ক ট্রাফিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক রিকি মরিসন বলেছেন, নিউইয়র্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ নগরীতে বাংলাদেশি-আমেরিকান ট্রাফিক কর্মকর্তারা মহান দায়িত্ব পালন করছেন।

রিকি মরিসন বলেন, করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে সামনের সারির এসব কর্মজীবীরা শুধু নগরীর ট্রাফিক সেবার মধ্যেই নিজেকে নিয়োজিত রাখেনি। নাগরিকদের বিপন্ন সময়ে তাঁরা পাশে থেকেছেন। ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া, ওষুধ পৌঁছে দেওয়াসহ কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ক্রমাগত গুরুত্বপূর্ণ কাজ তাঁরা করে যাচ্ছেন।

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় রিকি মরিসন এসব কথা বলেন। নগরীর কুইন্সে রিকি মরিসনের কার্যালয়ে ২৭ অক্টোবর এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, সাংবাদিক শেলী জামান খান ও মনজুরুল হকসহ নিউইয়র্ক ট্রাফিক ইউনিয়নের নির্বাচিত ডেলিগেট সৈয়দ উতবা মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
default-image

সভায় প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত মার্চ থেকে লকডাউন চালু হলেও প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা ছাপা সংস্করণের প্রকাশনা অব্যাহত রাখে। বাংলাদেশি কমিউনিটির পাঁচ শতাধিক ট্রাফিক কর্মকর্তা নিউইয়র্কে কর্মরত। এ কারণে মহামারির সময়ে এ বিভাগের লোকজনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। কোনো না কোনোভাবে নিউইয়র্কের প্রতিটি বাংলাদেশি পরিবারে ট্রাফিক বা পুলিশ বিভাগের লোকজনের সংযোগ থাকার কথা সভায় আলোচনা করা হয়।

মহামারির শুরুর দিকে নিউইয়র্কের ট্রাফিক বিভাগের লোকজন সামনের সারির কর্মজীবী হিসেবে নিজে সংক্রমিত হয়েছেন। অনেকেই কিছু বুঝে ওঠার আগে পরিবারকে সংক্রমিত করেছেন। এ কারণে বাংলাদেশি অনেক ট্রাফিক এজেন্ট তাঁদের পরিবারের সদস্যদের হারিয়েছেন।

রিকি মরিসন বলেন, কমিউনিটি ও পরিবারের অগ্রসর মানুষ হিসেবে এসব কর্মজীবীরা বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে কখনো পিছপা হননি, ভবিষ্যতেও হবেন না।

সভায় প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার পক্ষ থেকে উত্তরীয় পরিয়ে রিকি মরিসনকে সম্মাননা জানানো হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0