বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসব সেবাকেন্দ্র নিউইয়র্ক নগরের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং সমাজসেবা বিভাগের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। নগরের সেবামূলক সংগঠন, স্থানীয় কমিউনিটি সংগঠন যুক্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে সাহায্য করার আগ্রাসী প্রয়াস নিয়েছে। এসব সেবাকেন্দ্র সকাল আটটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত প্রতিদিন খোলা থাকবে। নিউইয়র্ক নগরে বসবাস করা যেকোনো লোক সাহায্যের জন্য সেবাকেন্দ্র থেকে সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এ জরুরি সেবা গ্রহণের জন্য কারও অভিবাসনের নথিপত্র থাকার দরকার নেই।

যেসব এলাকায় এই সেবাকেন্দ্র খোলা হয়েছে, সেগুলো হলো—ব্রঙ্কসের পিএস ১৯৪,২৩৬৫ ওয়াটার বেরি অ্যাভিনিউ, পার্কচেস্টার; ব্রুকলিনের পিএস ১৫, ৭১ সুলিভান স্ট্রিট, রেড হুক; ম্যানহাটনের আই এস ৮৮ ২১৫ ওয়েস্ট ১১৪ স্ট্রিট, হারলেম; কুইন্সের এম এস ১২৫, ৪৬-০২ ৪৭ অ্যাভিনিউ, উডসাইড এবং স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের আই এস ৫১, ৮০ উইলোব্রুক রোড।

নগরের জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান জন স্ক্রিবানি বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় আইডার জের ধরে আকস্মিক বন্যায় নিউইয়র্কের পরিবারগুলো চরম দুর্দশায় পড়েছে। এ দুর্দশাগ্রস্ত লোকজনের পাশে নগর সব ধরনের সুবিধা নিয়ে দাঁড়াবে বলে তিনি বলেন।

নগরের বিভিন্ন বিভাগের লোকজনে এসব সেবাকেন্দ্রে উপস্থিত থাকবেন। তাঁরা লোকজনকে সরকারি বিভিন্ন সাহায্য পাওয়ার জন্য আবেদনে সহযোগিতা করবেন। স্বাস্থ্য সেবা, আবাসন, খাদ্য সহযোগিতাসহ মানসিক সেবা দেওয়ার জন্যও সেবাকেন্দ্রগুলোতে ব্যবস্থা রাখা হবে।

১ সেপ্টেম্বরের বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বেসমেন্টে বসবাস করা লোকজন। নিউইয়র্কে বেসমেন্টে থাকা অবস্থায় শিশুসহ লোকজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস বেসমেন্টে থাকা লোকজনকে হাউজিং ভাউচার দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। বন্যার পানি ঢোকার কারণে বেসমেন্টগুলো এখন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। এসব লোকজনকে নগদ অর্থ সাহায্য দিয়ে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

রাজ্য গভর্নর ক্যাথি হকুল, কংগ্রেসওমেন আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও কর্টেজ ও সিনেটর চার্লস শুমারসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা নগরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন