নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক
নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক

প্রবাসী নরসিংদী জেলা সোসাইটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউয়ের স্থানীয় এক রেস্তোরাঁয় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সংগঠনের নেতা ও সাধারণ সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্কপ্রবাসী নরসিংদীবাসী। সভায় সোসাইটির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় এর বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে গঠন করা হয় তিন সদস্যের নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন। পাশাপাশি সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় প্রবাসী নরসিংদী জেলা সোসাইটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন, সিনিয়র সহসভাপতি মো. জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আবুছাইন আখতার, কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, বিশেষ অতিথি এখলাস আহমেদ, পরিচালক প্রদীপ মালাকার, সুলতান উদ্দিন আহমেদ ও রবীন্দ্র চন্দ্র বর্মণ, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন মৃধা, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক খোকন সাহা, কোষাধ্যক্ষ নূরুজ্জামান আলী, সহসাধারণ সম্পাদক মো. মজিদ ভূঁইয়া ও মো. আমিনুল হক, ক্রীড়া সম্পাদক শরিফুল ইসলাম, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক কামরুদ্দীন আহম্মেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু কালাম, সাহিত্য সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, মিলনায়তন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আবদুল মালেক ভূঁইয়া, তাজুল ইসলাস, মো. মজিবর রহমান, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ মো. আমজাদ হোসেন, তানিম জাবের, রাহুল বর্মণ, মো. আলতাফ হোসেন, মো. ইব্রাহিম, শফিকুর রহমান, নূরুল আমিন, আকতার হোসেন, হুমায়ুন কবির, মো. মোস্তাক আহামেদ, সদস্য মো. মুসফিকুজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

সভায় উপস্থিত সবার কণ্ঠভোটে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পান এখলাস আহমেদ। নির্বাচন কমিশনের বাকি দুই সদস্য হলেন খোকন সাহা ও নুরুজ্জামান আলী। পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের সভাপতি পদের জন্য কোনো প্রস্তাব রয়েছে কিনা, তা সবার কাছে জানতে চান। সুলতান উদ্দিন আহাম্মদ সভাপতি হিসেবে মো. জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার নাম প্রস্তাব করেন। এতে সবাই সমর্থন জানালে এবং এই পদে আর কোনো প্রার্থী না থাকায় মো. জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়াকে সভাপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। গোল বাঁধে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের সময়।

একইভাবে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য নাম প্রস্তাব চাইলে মো. আলমগীর হোসেন মৃধার নাম প্রস্তাব করা হয়। কিন্তু অধিকাংশের আপত্তির মুখে নতুন প্রস্তাব চাওয়া হয়।

এ সময় সভায় উপস্থিত অধিকাংশই সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবুছাইন আখতারের নাম প্রস্তাব করেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী তিনি এ নির্বাচনে দাঁড়াতে পারবেন না। ফলে নির্বাচন কমিশন তিন-চতুর্থাংশ ভোটে গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব তুললে এতে সাড়া দিয়ে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা হয়। গঠনতন্ত্রের ১৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে সভায় উপস্থিত ৯৫ শতাংশের সম্মতিতে মো. আবুছাইন আখতারকে পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

মন্তব্য পড়ুন 0