default-image

বিশ্বের সবচেয়ে বড় পুলিশ বাহিনী হিসেবে পরিচিত নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে (এনওয়াইপিডি) পাঁচজন বাংলাদেশি মার্কিন পদোন্নতি পেয়েছেন। এঁদের মধ্যে লেফটেন্যান্ট পদে একজন এবং সার্জেন্ট পদে চারজন পদোন্নতি পেয়েছেন।

লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন সাজেদুর রহমান। সার্জেন্ট পদে পদোন্নতি পেয়েছেন রাজুব ভৌমিক, আবু তাহের, মোহাম্মদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ শামসুদ্দিন। ১৮ মার্চ নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সকালে কুইন্সের পুলিশ একাডেমিতে তাঁরা শপথ গ্রহণ করেন।

ওই দিন এই পাঁচজনসহ পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্যদের হাতে সনদ তুলে দেন নগরের পুলিশ কমিশনার ডারমোট শিয়া। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি মার্কিন পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পদোন্নতি পাওয়া বাংলাদেশি মার্কিনদের মধ্য রাজুব ভৌমিক প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সঙ্গে জড়িত। তিনি প্রতিবেদন তৈরি ছাড়াও ‘উত্তরের পথে’ শীর্ষক মাসিক আয়োজনের সম্পাদনাও করেন।

রাজুবের পদোন্নতি উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটসে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা সংলগ্ন একটি রেস্তোরাঁয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে অতিথিরা বলেন, রাজুব ভৌমিকের মতো চৌকস পুলিশ কর্মকর্তার অগ্রযাত্রা যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি নতুন প্রজন্মের অগ্রযাত্রার ভিতকেই মজবুত করবে।

সার্জেন্ট পদে শপথ নেওয়ার পর রাজুব বলেন, একজন বাংলাদেশি হিসেবে এই পদে শপথ নিতে পেরে আমি গর্বিত।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিসট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ মঈন চৌধুরী, প্রবীণ সাংবাদিক নাজমুল আহসান, সাংবাদিক আবু তাহের, প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার আবাসিক সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, লেখক সাংবাদিক রহমান মাহবুব, অভিনেতা ও রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম, মেইনরে হো, ক্রিস্টোফার ওয়াং, আলী আফরোজ অর্ণব, সানাউল্লাহ হোসেন, পুতুল ভৌমিক, মনীষা তৃষা, আবদুস শহীদ, মনজুরুল হক, শেলী জামান খান, রোকেয়া দীপা, সায়ান সাদিক, ভায়লা সালিনা, জাহিদা আলম, কান্তা কাবির, রেজোয়ানা আলম, সুব্রত বিশ্বাস, সুখেন জোসেফ গোমেজ, রাজুবের মা পুতুল ভৌমিক, স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ভৌমিক।

নিউইয়র্ক পুলিশে সার্জেন্টের পরের ধাপের পদবি লেফটেন্যান্ট, যা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। লেফটেন্যান্ট পদের পরবর্তী ধাপ নির্বাহী কর্মকর্তার ক্যাপ্টেন পদ। এই পদ থেকেই রাজনৈতিক বিবেচনায় পুলিশের শীর্ষপদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ক্যাপ্টেন পদে ইতিমধ্যে পদোন্নতি পেয়েছেন বাংলাদেশি খন্দকার আবদুল্লাহ, কারাম চৌধুরী এবং পারুল চৌধুরী। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে আরও বেশ কয়েকজন ক্যাপ্টেন ও লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতির অপেক্ষায় আছেন। বর্তমানে নিউইয়র্ক পুলিশে দুই শতাধিক বাংলাদেশি নিয়মিত অফিসার ও সহস্রাধিক বাংলাদেশি ট্রাফিক এজেন্ট রয়েছেন। ট্রাফিক বিভাগের নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যানেজার পদেও দায়িত্ব পালন করছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন