default-image

সাবেক মার্কিন ফার্স্টলেডি ও বারাক ওবামা সরকারের প্রথম মেয়াদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন এবারের নির্বাচনে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল কলেজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ডেমোক্র্যাটিক দল থেকে তাঁকে ইলেকটোরাল কলেজ হিসেবে মনোনায়ন দেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ২৯টি ইলেকটোরাল কলেজ রয়েছে।

২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরে যাওয়া হিলারি ২৮ অক্টোবর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, তাঁর আর অপেক্ষার তর সইছে না। জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিসকে তিনি নিশ্চিত ভোট দেবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজ ব্যবস্থা নিয়ে পক্ষে–বিপক্ষে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। নিউইয়র্ক রাজ্যের ডেমোক্রেটিক দলের ইলেকটোরাল কলেজের প্যানেলে এবার থাকলেও আগে হিলারি ক্লিনটন নিজেও এই ব্যবস্থার সমালোচনা করেছেন।

বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে সিএনএনের সাংবাদিক এন্ডারসন কুপারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিলারি বলেছিলেন, ব্যবস্থাটি বাতিল করে পপুলার বা জনপ্রিয় ভোটেই প্রার্থী নির্বাচিত হওয়া উচিত।

২০১৬ সালে প্রায় ৩০ লাখ পপুলার ভোটে এগিয়ে থেকেও ইলেকটোরাল কলেজের জটিল হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে হেরেছিলেন হিলারি ক্লিনটন। সিএনএনকে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, গণতন্ত্রের জন্য মানুষের ইচ্ছাকেই মূল্য দেওয়া উচিত।’

এর আগে ২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জর্জ বুশের কাছে আল–গোর হেরে যাওয়ার পর ইলেকটোরাল পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তখনো অনেকে বলেছিলেন, মার্কিন নির্বাচন ব্যবস্থাকে এই পদ্ধতি থেকে সরে আসা উচিত।

মন্তব্য পড়ুন 0