default-image

নিউইয়র্কের বাড়ির মালিক ও বাড়ি ভাড়া দিতে নিয়োজিত ব্রোকারেজদের বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ১৫ মার্চ ম্যানহাটনের আদালতে হাউজিং রাইটস ইনিশিয়েটিভ নামের নাগরিক সংগঠন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসহ ৮৮ জনকে এই মামলার বিবাদী করেছে।

মামলায় বলা হয়েছে, সরকারি গৃহায়ণ কর্মসূচির ভাড়াটেদের বাড়ি ভাড়া প্রদানে এসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বৈষম্য করে আসছে। সরকারি গৃহায়ণ কর্মসূচির (যা সেকশন-৮ নামে পরিচিত) আওতায় লোকজনকে বাড়ি ভাড়া দিতে বিবাদীরা গড়িমসি করে এবং নানা অযাচিত শর্ত আরোপ করে। গোপন তদন্তের মাধ্যমে এসব বাড়ির মালিক ও ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান থেকে বৈষম্যের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ভাড়াটে সেজে বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথোপকথনের বিবরণ মামলায় যুক্ত করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাড়ির মালিকের সঙ্গে জাতীয়ভাবে পরিচিত কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে। কম্পাস, করকরান গ্রুপ ও সেঞ্চুরি-২১ নামের ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানকেও মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

করকরান গ্রুপের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা ১৯৬৮ সালে প্রণীত ফেডারেল গৃহায়ণ আইন শক্তভাবে অনুসরণ করে থাকেন।

এ আইনে ভাড়াটের প্রতি বৈষম্যের বিরুদ্ধে শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।

সেঞ্চুরি-২১ নামের ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র বলেছেন, মামলায় উল্লেখিত অভিযোগ সঠিক নয়। তাঁরা কোনো বৈষম্যকে প্রশ্রয় দেন না।

গত এক বছর থেকে চলমান করোনা মহামারিতে নিউইয়র্কের বাড়ির মালিক ও ভাড়াটের ওপর চাপ বেড়েছে। লোকজন কর্মহীন হয়ে পড়ায় ভাড়া পরিশোধ করতে পারছে না। ভাড়াটেদের উচ্ছেদ না করার জন্য নির্দেশ থাকায় গত এক বছরে ভাড়া প্রদান না করলেও ভাড়াটেদের কেউ উচ্ছেদ করতে পারেনি। ছোট ছোট বাড়ির মালিকেরা এতে বিপাকে পড়েছেন। অনেকেই আবার সামর্থ্য থাকার পরও ভাড়া না দেওয়ায় জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন