default-image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিউইয়র্কের গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমোর ওপর বিরক্ত। এ কারণে তিনি শুরুর দিকে রাজ্যে করোনার ভ্যাকসিন সরবরাহ করবেন না বলে জানিয়েছেন।

হোয়াইট হাউসের সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেছেন, অ্যান্ড্রু কুমো ভ্যাকসিন ব্যবহারের নিশ্চয়তা না দেওয়া পর্যন্ত নিউইয়র্কে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে না।

১৩ নভেম্বর দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্য কোনো প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেননি এবং কোনো প্রশ্নও গ্রহণ করেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

আসছে এপ্রিলের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সব জনগণের জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তবে নিউইয়র্কের মতো এলাকায় রাজনৈতিক কারণে তা সরবরাহ করা হবে না
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

রাজ্য গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো বলেছেন, এই প্রেসিডেন্টের সব বিষয়ই ব্যক্তিগত। সবকিছুতেই প্রতিশোধ পরায়ণতা বিরাজমান আর সরকারকে এ প্রতিশোধের কাজে ব্যবহার করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

বিজ্ঞাপন
default-image

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের প্রতিবাদে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেতিশিয়া জেমস বলেছেন, নিউইয়র্কে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা না হরে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করবেন। পূর্ণ অনুমোদন পাওয়ার পর বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন সরবরাহ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

হোয়াইট হাউসে করা সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আসছে এপ্রিলের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সব জনগণের জন্য ভ্যাকসিন সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। তবে নিউইয়র্কের মতো এলাকায় রাজনৈতিক কারণে তা সরবরাহ করা হবে না।

ট্রাম্প বলেন, ভ্যাকসিন কোথা থেকে আসছে, তা গভর্নর কুমো বিশ্বাস করেন না। অথচ ভ্যাকসিন আসছে বিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে নামী কোম্পানি থেকে।

default-image

এর আগে নিউইয়র্কের গভর্নর কুমো বলেছিলেন, শুধু ট্রাম্পের কথায় নয়, যথোপযুক্ত অনুমোদন ছাড়া ভ্যাকসিন না এলে, তা নিউইয়র্কের জনগণের জন্য ব্যবহার করা হবে না।

ট্রাম্প তাঁর সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি নিউইয়র্কের লোকজনকে ভালো জানি। তাঁরা ভ্যাকসিন চায়। এখন গভর্নর আমাদের জানাবেন, তিনি কখন ভ্যাকসিন গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত।’

নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনসমক্ষে বেশি আসছেন না। তিনি এখনো নির্বাচনে পরাজয় মেনে নেননি। ফল নিয়ে আইনি লড়াই করছেন। নিউইয়র্কে তাঁর নামে একাধিক মামলাও তদন্তাধীন আছে। ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর পর ট্রাম্পকে নিউইয়র্কের এসব মামলা মোকাবিলা করতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0