default-image

নিউইয়র্কের ব্রুকলিন ও কুইন্সে আরও দুটি বড় আকারের করোনার টিকাদান কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। রাজ্য গভর্নর অ্যান্ড্রু কুমো জানিয়েছেন, জনসমাজে করোনার সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা লোকজনকে রক্ষা করার জন্য এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফেডারেল সরকারের অংশীদারত্বের মাধ্যমে এসব বড় আকারের টিকাদান কেন্দ্র খোলা হচ্ছে।

গভর্নর বলেন, নগরকেন্দ্রের বাইরে শিগগির এমন আরও টিকাদান কেন্দ্র খোলা হবে। ব্রুকলিনের ক্রাউন হাইটসে মেডগার এভারস কলেজে ও কুইন্সের ইয়র্ক কলেজে স্থাপিত কেন্দ্রে প্রতিদিন তিন হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে।

জানা গেছে, নিউইয়র্ক রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে টিকা দেওয়ার অতিরিক্ত ব্যবস্থা হিসেবে এসব নতুন কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। ফেডারেল সরকারের স্বাস্থ্যকর্মী ও টিকার আলাদা সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবেন সেনা সদস্য ও ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা।

বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্কের ব্রুকলিন ও কুইন্সে অনগ্রসর জনসমাজের ব্যাপক বসবাস। কোভিড-১৯ সংক্রমণে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে দ্বিগুণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে হিস্পানিক জনসমাজের মধ্যে শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে দেড় গুন মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। বাংলাদেশিরাও ব্রুকলিন ও কুইন্সে বেশি বাস করে। করোনায় মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের উল্লেখযোগ্য অংশের বসবাস এসব এলাকাতেই ছিল।

এদিকে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার নিউইয়র্কে কমে আসছে। ৯ ফেব্রুয়ারি পাওয়া তথ্য অনুয়ায়ী নিউইয়র্ক নগরীতে সংক্রমণের হার এখন ৮ শতাংশের কাছাকাছি বলে জানানো হয়েছে।

গত মার্চ থেকে কোভিড-১৯ এর ব্যাপক সংক্রমণ শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রে। সংক্রমণের প্রথম ধাক্কায় নিউইয়র্কে সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত করোনায় চার লাখ ৬৮ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ মাসের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

করোনায় এখন ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের অবস্থা নাজুক হয়ে গেছে। এই রাজ্যের মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন নিউইয়র্কের সংখ্যাকে অতিক্রম করে ফেলছে। ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই রাজ্যে ৪৪ হাজার ৯৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র করোনার টিকাদান শুরু হলেও সরবরাহ অপ্রতুল থাকায় লোকজন নাম তালিকাভুক্ত করেও টিকাদানের ডাক পাচ্ছে না।

বিজ্ঞাপন
নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন