default-image

ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে ঢাকা থেকে নোয়াখালী লংমার্চের সময় হামলার প্রতিবাদে নিউইয়র্কের জ্যামাইকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৯ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ব্যানারে নিউইয়র্কে জ্যামাইকার ১৬৯ স্ট্রিটে এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, যুক্তরাষ্ট্র সংসদের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন—প্রোগ্রেসিভ ফোরাম ইউএসএর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কাসেম আলী, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, যুক্তরাষ্ট্র সংসদের সহসভাপতি সরাফ সরকার, সাবেক ছাত্রনেতা ও প্রোগ্রেসিভ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলীম উদ্দিন, নারীনেত্রী সালেহা আক্তার, মহিলা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ সম্পাদক সুলেখা পাল, উদীচী যুক্তরাষ্ট্র সংসদের প্রচার সম্পাদক আশীষ রায়, ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক নেতা হিরু চৌধুরী, উদীচী কর্মী কানন আচার্য, ইসতিয়াক আহমেদ, জয়ন্তী ভট্টাচার্য, রিনা আফরোজ, শেখ ফারুখ, ফাহিমা, রূপনা সাহা প্রমুখ।

বক্তারা এই হামলার জন্য অবিলম্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির পাশাপাশি সরকারকে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসারও আহ্বান জানান।

বক্তারা বলেন, দমন-পীড়ন চালিয়ে কখনো কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারেনি, এই সরকারও পারবে না।

বিজ্ঞাপন

ধর্ষণবিরোধী লংমার্চের উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, ১৭ অক্টোবর নোয়াখালীতে সমাবেশ শেষে ঢাকায় ফিরে আসার পথে কুমিল্লায় বাসে ওঠার সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর লাঠিসোঁটা নিয়ে চড়াও হন। এতে লংমার্চকারীদের ১৫ জন আহত হন, ৬টি বাস ভাঙচুর হয়। আহত কয়েকজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, তাঁদের কোনো নেতা-কর্মী হামলা চালাননি। তবে তাঁরা এ-ও দাবি করেছেন যে লংমার্চকারীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ব্যানার থাকায় ‘সাধারণ জনতা’ ক্ষুব্ধ হয়ে এ হামলা চালাতে পারে।

মন্তব্য পড়ুন 0