default-image

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। এতে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের এক ক্রান্তিকালে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করতে হয়। আজ বাংলাদেশে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাতে জিয়ার মতো দেশপ্রেমিক নেতার বড় প্রয়োজন।

নিউইয়র্ক নগরের জ্যাকসন হাইটসের পালকি পার্টি হলে ৭ নভেম্বর আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফোরামের প্রেসিডেন্ট রফিকুল ইসলাম। ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের’ তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তৃতা করেন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সভাপতি রাফেল তালুকদার, সাবেক সভাপতি সারওয়ার খান, প্রধান উপদেষ্টা এ কে এম রফিকুল ইসলাম, ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের নীতি নির্ধারক কমিটির চেয়ারম্যান শাওন বাবলা, উপদেষ্টা মীর মশিউর রহমান, সংগঠনের সহসাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন, সহসভাপতি মাসুদ করিম, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মজিবুর রহমান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক এমডি ফরিদী, ফেরদৌসি আমিন, রফিকুল ইসলাম, আনোয়ারুল হক, মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, ফাতিমা রহমান।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম এন হায়দার এবং সহসভাপতি ও উদ্‌যাপন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ মান্নান হোসাইন। শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও মোনাজাত করেন সংগঠনের সহসভাপতিত্ব মো. আবদুল শালিক।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রাফেল তালুকদার বলেন, ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক ঘটনা আমাদের চেতনাকে শাণিত করে। সেদিন সিপাহি-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আনেন তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে। ৭ নভেম্বর সংঘটিত হওয়ার ঘটনা নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য এই দিবসকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

সাধারণ সম্পাদক গোলাম হায়দার বলেন, বৈশ্বিক মহামারিতে দেশের মানুষ যখন দিশেহারা, তখন আওয়ামী গুন্ডারা ধর্ষণ, রাহাজানি আর লুণ্ঠনে লিপ্ত। সারওয়ার খান সংক্ষেপে স্বাধীনতা যুদ্ধ, জাসদ, গণবাহিনী ও বাকশাল প্রতিষ্ঠা, ৭ নভেম্বরের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

প্রধান উপদেষ্টা রফিকুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংসের মুখে ঢেলে দিয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির অবনতি সাক্ষী দিচ্ছে, বর্তমান সরকার আওয়ামী লীগ জাতির ও রাজনীতির জন্য চরম দুর্যোগপূর্ণ।

অন্য বক্তারা শেখ হাসিনা সরকারের সমালোচনা করে বলেন, সরকার ছাত্র-যুবলীগকে রাজপথে বিরোধী দলকে শায়েস্তা করতে নামিয়েছে। সরকার চায়, বিরোধী দলের ওপর নির্যাতন চালিয়ে তাদের মতো করে ক্ষমতায় থাকতে। দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে শেখ হাসিনা।

সভাপতির বক্তব্যে রফিকুল ইসলাম প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, জিয়া ছিলেন ইমানদার সাচ্চা দেশ প্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। আর বিএনপি হচ্ছে দেশ প্রেমিক দল, বিএনপির শক্তি বাংলাদেশের জনগণ। তিনি সব ভেদাভেদ ভুলে জিয়ার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0