বিজ্ঞাপন

এই অংশে প্রায় ১ হাজার ৪০০ ভোটার রয়েছেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক ব্যক্তি প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সভাপতি পদে সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন শামসুল আলম চৌধুরী ও শাহজাহান সিরাজী। সাধারণ সম্পাদক পদে মুক্তাদির বিল্লাহ ও আশরাফ আলী খান। খোকন, এনাম চৌধুরী, মেহবুবুর রহমান, লিটন ও শাহাবুদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন এই অংশের সম্ভাব্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

অন্য নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে রয়েছেন মো. হাছান চৌধুরী। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাছান ছাড়াও কমিশনরে অন্য সদস্যরা হলেন—আবু তালেব, সাঈদ মুরশেদ রেজভী চৌধুরী ও মাস্টার নাসির উদ্দীন চৌধুরী। এই নির্বাচন কমিশন সমর্থিত চট্টগ্রাম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা ৫ মে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ভোট হবে ৩০ মে।

এই পক্ষেও ১ হাজার ৪০০ ভোটার রয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার হাছান চৌধুরী। এই অংশে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মনির আহমেদ ও মোহাম্মদ সেলিম।

মনির আহমেদ বলেন, ‘সমিতি ভেঙে যাওয়ায় আমরা মর্মাহত। সমিতির ভবনটি আমি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক থাকাবস্থায় কিনেছিলাম। আমি সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে সভাপতি প্রার্থী হয়েছি। আমি নির্বাচিত হলে প্রধান দায়িত্ব হবে সংগঠনকে এক পতাকার তলায় নিয়ে আসা। সংগঠনের সিনিয়ররা এ জন্যই আমাকে প্রার্থী হতে বলেছেন।’

শাহজাহান মাহমুদের নেতৃত্বাধীন চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল আগামী ৬ জুন। ৫ মে এ পক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬ জুনের পরিবর্তে আগামী ২৯ মে নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন নতুন তারিখ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এতে বলা হয়, ভোটার তালিকায় কোনো ধরনের ভুল সংশোধন করতে হলে আগামী ১৫ মে বিকেল ৫টার মধ্যে যথাযথ প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। নতুন সংশোধিত নির্বাচনী তফসিল ও আচরণবিধি ২০২১ অনুযায়ী ভোটকেন্দ্র, মনোনয়নপত্র বিতরণ ও দাখিল/গ্রহণ ব্রুকলিনের ম্যাকডোনাল্ড অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত চট্টগ্রাম ভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন