default-image

চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার (চট্টগ্রাম সমিতির) নির্বাচন নিয়ে আবারও বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে দুই পক্ষ। নয় সদস্যের নির্বাচন কমিশনেও দেখা দিয়েছে বিরোধ।

নানা জটিলতায় বেশ কয়েক বছর ধরে চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচন হয়নি। সমিতির সভাপতি প্রয়াত আবদুল হাই ওরফে জিয়া মৃত্যুর কয়েক মাস আগে একটি সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচনের লক্ষ্যে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন গঠন করে দেন। একটি অংশের আপত্তির কারণে এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে

কমিশনকে আরও গতিশীল করতে আরও কমিশনে চার সদস্য যুক্ত করা হয়। সর্বমোট ৯ সদস্য নিয়ে বিগত ৬ মাস ধরে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।

কিন্তু কমিশন তেমন কোনো ভোটার সংগ্রহ করতে পারেনি। কমিশনের সদস্যরা এ জন্য সমিতির দুই অংশের নেতৃত্ব থাকা স্থানীয় সদস্যদের দোষারোপ করছেন।

চট্টগ্রাম সমিতির দুই অংশে থাকা নেতৃস্থানীয় নেতারা হলেন এক অংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলিনুর ও সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিম। অন্য অংশের সভাপতি খোকন কে চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলী খান। এই দুই পক্ষই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করছে, নির্বাচন কমিশন প্রভাবিত হয়ে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

৯ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশনারের এক সদস্য আবু তালেব চৌধুরী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার শাহজাহান মাহমুদ একজন অযোগ্য কমিশনার। তিনি কোনো কাজই সঠিকভাবে সমাধান করতে পারেন না। তাঁর কারণে আজ সমিতির সদস্যরা দুইভাবে বিভক্ত।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার শাহজাহান মাহমুদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। ইতিমধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। তফসিল অনুযায়ী আগামী ৬ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে একাংশের সভাপতি দাবিদার আলনুর ও মো. সেলিম আগামীকাল ২৭ মার্চ সমিতির কার্যালয়ে বিকেলে সাধারণ সভা ডেকেছেন। অন্যপক্ষ খোকন-আশরাফ এই সাধারণ সভা বর্জনের জন্য সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সমিতির সদস্য রেয়াজুল করিম বলেন, দুই গ্রুপের মুখোমুখি অবস্থানে যেকোনো ধরনের অঘটন ঘটে যেতে পারে। এজন্য সমিতির উপদেষ্টাদের বিবাদ নিরসনের এগিয়ে আসা উচিত।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন