default-image

ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বিএনপির নেতারা বলেছেন, নভেম্বর মাস হচ্ছে বিএনপির জন্য চেতনার মাস। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আমাদের নতুন করে শপথ নিতে হবে। অতীতেও সব আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হয়েছি, ভবিষ্যতেও বিজয়ী হব।

১৫ নভেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বেবী নাজনীনের উদ্যোগে আয়োজিত ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এসব কথা বলেন।

বেবী নাজনীনের সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা ফিরোজ আহমেদের পরিচালনায় ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান ও সেলিমা রহমান, বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন, বিএনপির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন, জাসাসে প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সার এম আহমেদ, সাদিক রহমান, সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমেদ আলী।

বিজ্ঞাপন

ভার্চ্যুয়াল সভা জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত হয়। সভা মঞ্চে ছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি গিয়াস আহমেদ, সাবেক সহসভাপতি সোলায়মান ভূঁইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শাখাওয়াত হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ, বিএনপি নেতা এবাদুর রহমান, কোকো স্মৃতি পরিষদের সভাপতি শাহাদত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মুনিরুল ইসলাম।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শরাফত হোসেন, সাবেক সহসভাপতি মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ও হেলাল উদ্দিন, সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম ভূঁইয়া, যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সভাপতি জাকির এইচ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহআন্তর্জাতিক সম্পাদক এম এ বাতিন, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক, কানাডা শাখার সভাপতি ফয়সল আহমেদ, জর্জিয়া শাখার সহসাধারণ মাহবুব আহমেদ, সাবেক ছাত্রনেতা আতাউর রহমান, নিউইয়র্ক সিটি শাখার সভাপতি সেলিম রেজা, নাসির উদ্দিন, বশির আহমেদ, যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান, যুবদলের সহসভাপতি আহবাব চৌধুরী, মোহাম্মদ আবুল কাশেম, নিউইয়র্ক স্টেট শাখার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আজাদ ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর যুবদলের (দক্ষিণ) সাবেক সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসাইন, বিএনপি নেতা রাফেল তালুকদার, সালেহ আহমেদ, জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, হারুন অর রশীদ, সাজেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক সাংসদ ওয়াদুদ ভূঁইয়া, আবু তাহের, আবদুল ওয়াদুদ, জাহাঙ্গীর আলম, চাকসুর সাবেক ভিপি নাজিম উদ্দিন, ওহিদুজ্জামান, মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মোহাম্মদ মহসীন, চৌধুরী সালেহ, ব্রঙ্কস বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, সাইফুর খান, খলকুর রহমান, ফ্রান্স বিএনপি নেতা এমতাজ আলো, ওয়াশিংটন বিএনপির আহ্বায়ক হাফিজ খান সোহায়েল, ভার্জিনিয়া বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ জহির খান, ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী প্রমুখ।

ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মী অংশ নেন। জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি প্রবাসী বাংলাদেশিরা ও গার্মেন্টস শিল্প, যা চালু করেছিলেন জিয়াউর রহমান। সে জন্য বর্তমান সরকার জিয়া পরিবারকে ধ্বংসের রাজনীতি শুরু করেছে। খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে রাখা হয়েছে, তারেক রহমানকে বিদেশে পাঠিয়েছে। আওয়ামী লীগ এখন গায়ের জোরে ক্ষমতায় রয়েছে। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে, বাংলাদেশেও গণতন্ত্রের বিজয় হবে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, অতীতেও সব আন্দোলনে আমরা বিজয়ী হয়েছি, ভবিষ্যতেও বিজয়ী হব। তারেক রহমান বাংলাদেশে আবারও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করছেন। তিনি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করে বলেন, বিএনপিই হচ্ছে স্বাধীনতার পক্ষের দল।

সেলিমা রহমান বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে এক কঠিন সময় অতিক্রম করছি। খালেদা জিয়া কারাগারে এবং তিনি অসুস্থ। আমরা তার মুক্তির কথা বলছি, কিন্তু কিছুই করতে পারছি না।

বেবী নাজনীন অনুষ্ঠান সফল করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

পুরো অনুষ্ঠানটি লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দেখেছেন বলে দলীয় সূত্র জানায়।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0