বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেস মেং-এর কাছে জেএমসি’র সেক্রেটারি মনজুর আহমেদ চৌধুরী বর্তমান পরিস্থিতি এবং ক্ষয়ক্ষতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শুধু জেএমসি নয়, নিউইয়র্কের বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক মানুষ বিশেষ করে যারা বেসমেন্টে বসবাস করেন তারা ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। নিউইয়র্কের কুইন্সে সর্বাধিক লোকের মৃত্যু ঘটেছে।

কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এ সময় ধৈর্য ধরে জেএমসি কর্মকর্তাদের কথা শোনেন এবং তার পক্ষ থেকে সকল প্রকার সহায়তার আশ্বাস দেন। গ্রেস মেং ফেমা’র মাধ্যমে ফেডারেল ডিজাস্টার ফান্ডসহ সিটি ও অঙ্গরাজ্যের বিভিন্ন ফান্ডের কথা তুলে ধরে বলেন, বাইডেন প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের জন্য কাজ করছে। আমরাও চেষ্টা করছি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনে কংগ্রেস বিল উত্থাপনের কথাও বলেন গ্রেস মেং।

পরে গ্রেস মেং জেএমসি ভবনের বেসমেন্ট ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেসমেন্টের বিভিন্ন অংশের ছবি নিজের ক্যামেরায় তুলে ধরেন। তিনি নিজ হাতে ভবনের ফ্লোরসহ দেয়ালে হাত দিয়ে পরখ করেন।

মনজুর আহমেদ চৌধুরী বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব আমেরিকার (ইউএনএ) প্রতিনিধিকে জানান, সাম্প্রতিক ভয়াবহ বৃষ্টিতে জেএমসির ৫০ হাজারের বেশি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেসমেন্টের কারপেট পুরোটাই নষ্ট ছাড়াও দেয়াল ও ফ্লোর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ সময় সাপ্তাহিক পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, সাপ্তাহিক বাঙালি সম্পাদক কৌশিক আহমেদ, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক চিকিৎসক ওয়াজেদ এ খান ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে জেএমসি’র কোষাধ্যক্ষ বাবুল মজুমদার, সদস্য সাবুল উদ্দিন, সাবেক সদস্য জহিরুল হক, কুইন্স বরোর চিফ ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদেক ও ডিএইচ কেয়ার-এর স্বত্বাধিকারী শাহরিয়ার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

নিউইয়র্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন