default-image

শেষ চিঠি

শেলী জামান খান

খুব ঠান্ডা মাথায় পুরো ব্যাপারটি নিয়ে ভাবল রুপা। সে একটি ফরম পূরণ করে তার দেহটি ঢাকা মেডিকেলকে দান করে দিল। ফরমটি অনেক দিন ধরেই তার হাতব্যাগে পড়েছিল। করব করব করে আর করা হয়ে ওঠেনি। তারপর খুব গুছিয়ে একটি চিঠি লিখল জয়ন্তকে। তাদের সন্তান, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, জিনিসপত্র, দেনা-পাওনা সম্পর্কে কী করণীয়, তা ক্রিস্টাল ক্লিয়ার করে সব বুঝিয়ে লিখল চিঠিতে। সে বরাবরই এমন করে গুছিয়ে, আপডেট করেই রাখতে চেয়েছিল তার জীবনকে।

রুপার প্রবল ভালোবাসার মানুষ জয়ন্ত। একটা সময় সে পাগলের মতো ভালোবেসেছিল জয়ন্তকে। কিন্তু সেই জয়ন্তর খামখেয়ালি, ভবঘুরে, বোহিমিয়ান স্বভাব ও জীবনের সঙ্গে তাল মেলাতে গিয়ে ভালোবাসাটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশি। তছনছ আর ক্ষতবিক্ষত হয়েছে জীবন। একটি চাপা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল রুপা।

চিঠিটি ডাকবক্সে ড্রপ করে এল সে। একটি ছোট্ট নোট লিখে, যত্ন করে রাখল তার হাতব্যাগের নিচে। নিশ্চিত করার জন্য যেন রুম সার্ভিস ও পুলিশ এই নোটটি পায়। তারা যেন কোনোরকমে ধকল ছাড়াই জানতে পারে সব ইতিবৃত্ত। অফিসে তার ওপর দেওয়া কাজের অ্যাসাইনমেন্টও ইমেইল করে দিল। তারপর নিজের লাগেজপত্র গুছিয়ে, হোটেলের বিল পরিশোধ করে এল সে। মোটামুটি সব কাজই শেষ। আগামীকাল সকালেই তার চেক আউট।

লম্বা শাওয়ার শেষে নিচে হোটেলের ডাইনিংয়ে গিয়ে রাতের খেল খুব তৃপ্তি নিয়ে। সঙ্গে এক গ্লাস রেড ওয়াইন। রুমে ফিরে সে আয়েশ করে বিছানায় বসল। ছেলে আর জয়ন্তর সঙ্গে অনেকক্ষণ ফোনে কথা বলল। আদর করে গুড নাইট জানাল দুজনকেই!

প্রতি রাতের মতোই স্লিপিং পিল খেয়ে কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে চাইল রুপা। আহা, ঘুম! একটা লম্বা ঘুম তার ভীষণ প্রয়োজন। কতকাল শান্তিতে ঘুম হয় না তার।

বিজ্ঞাপন

তাঁতের শাড়ি

রোকেয়া দীপা

নিরুর তাঁতের শাড়ি খুব পছন্দ। শখ ছিল বিয়ের পর তাঁতের শাড়ি, হাতে কাচের চুড়ি আর কপালে লাল টিপ দিয়ে তার নিজ সংসারে ঘুরে বেড়াবে।

বর চুপিসারে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরবে। চুল সরিয়ে আলতো করে ঘাড়ে চুমু খাবে। ভাবতেই অদ্ভুত অনুরণন হয়েছিল নিরুর।

সেই মস্ত আবেগ, অদ্ভুত শিহরণ নিয়েই এই সংসারে প্রবেশ করেছিল এক স্যুটকেস শাড়ি, কয়েক গোছা চুড়ি আর একরাশ স্বপ্ন নিয়ে।

নিরুর হাতের শাড়িটি দেখে নতুন সংসারের প্রথম দিনই নিরু শুনতে পেল তার বর বলছে, ‘আমার সংসারে এসব পরা যাবে না। তাঁতের শাড়ি আমার একেবারেই অপছন্দ।’

নিরু ভাবছে, তাহলে ওর সংসার কোনটি? আরও ভাবছে, তার প্রত্যাশার স্বপ্নপূরণ কখনো হবে কি?

আজও তাঁতের শাড়িগুলো নির্বাসনে আছে!

ঘুড়ি

শুক্লা গাঙ্গুলি

লাটাইয়ের সুতো একবার বেশি ছাড়া হয়ে গেলে ঘুড়ি সামলানো দুষ্কর। এবারের মজাটা বেশ মন মতো হয়েছে। বুনো গাবের আঠা আর কাচের গুঁড়ো। অন্যদের ঘুড়ি কাটার মোক্ষম দাওয়াই। বিশ্বকর্মা পুজোর হইচই চারদিকে। ভাদ্র সংক্রান্তি।

ছাদের কোণে কার্নিশ ঘেঁষে দাঁড়ানো দিলু।

কী ভীষণ রোদ, ভাগ্যিস রোদ চশমা আছে চোখে। লাটাই ধরে দাঁড়াতেই কিছুক্ষণের ভেতর শতরঞ্জি সো সো করে আকাশে পাখা মেলল। হঠাৎ করেই চোখে পড়ল পাশের বাড়ির ছাদে গাছ-কোমর বাঁধা লম্বা বিনুনি একটি মেয়ে লাটাই ঘুরিয়ে সুতো ছাড়ছে। একটু চোখাচোখি, মিষ্টি হাসি। দিলু একটু যেন আনমনা হলো। কাদের বাড়ির মেয়েরে, আগে তো দেখিনি এ পাড়ায়! দুম করে লাটাই হালকা। বাতাসের জোর নেই। কি হলো!

পাশের ছাদ থেকে মেয়েটির চিৎকার কানে এল ‘ভো কাট্টা’! শতরঞ্জি ভাসতে ভাসতে এগিয়ে পিছিয়ে নিচে নামছে। দিলু অবাক চোখে চেয়ে-কিছু বোঝার চেষ্টা করল। হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে দেখল, ততক্ষণে নিজের ঘুড়ি সরিয়ে নিচ্ছে মেয়েটি হাওয়ার দিকে। শতরঞ্জি কেটে...!

বিজ্ঞাপন

স্বাধীনতা অমূল্য সম্পদ

আবদুস শহীদ

বারেক মিয়ার ভীষণ শখ, সে স্বাধীনতা দেখবে। ’৭১ সালে সে ছিল গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা। সাথিদের নিয়ে দাপটে যুদ্ধ করেছে খান সেনাদের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের পর দেশ একদিন স্বাধীন হলো। কিন্তু বারেক মিয়া স্বাধীনতা দেখেনি। তাঁর বয়স এখন ৬৫ বছর। বয়োবৃদ্ধ বারেক ভাবছে, তার শেষ ইচ্ছাটা বোধ হয় পূরণ হবে না।

একদিন ইচ্ছা হলো ঢাকা যাবে। স্বাধীনতা খুঁজবে। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে নেতাদের অনেক গাল ভরা বক্তৃতা শুনেছে। দেশ স্বাধীন হলে কারও দুঃখ-কষ্ট থাকবে না। কিন্তু বারেক মিয়ার মতো অনেক মুক্তিযোদ্ধার ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। নেতারা পাতি নেতা থেকে বড় নেতা হয়েছেন। কেউ এমপি, মন্ত্রী হয়েছেন।

একেকজন আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছেন। কিন্তু বারেক মিয়ারা চিকন থেকে আরও চিকন হয়েছেন।

বারেক মিয়া ঢাকা এসে অনেক খোঁজাখুঁজির পর এমন একটা জায়গায় পৌঁছালেন, যেখানে সে স্বাধীনতা দেখতে পাবে। সেখানে প্রদর্শনীর জন্য জাদুঘরের কাঁটাতারের বেড়ার ভেতর রাখা হয়েছে স্বাধীনতা। কয়েকজন সশস্ত্র লোক তা পাহারা দিচ্ছে। সে দেখল, স্বাধীনতার ভাঙাচোরা মুখে বিষাদের করুন ছায়া। সে একজন প্রহরীকে জিজ্ঞেস করল, ‘স্বাধীনতার অবস্থা এমন হলো কেন?’

প্রহরী তার কানের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলল, এই ‘অমূল্য সম্পদ’ নিয়ে প্রচুর টানাহেঁচড়া হয়েছিল, তাতেই স্বাধীনতার এই জীর্ণদশা। জাদুঘর ছাড়া এখন আর কোথাও স্বাধীনতার অস্তিত্ব নেই!’

default-image

আর্তনাদ

শাদাত আমীন

১.

চৈত্র রোদে ফেটে চৌচির ফসলের মাঠের মতন কষ্ট বুকে চেপে বর্গাচাষি রহিদ মিয়া বেঁচে থাকে, মরণ দূত দুয়ারে এসে ফিরে যায় বারবার; লাঙলের হাতলে হাত পড়তে পড়তে কড়া পেয়ে বসেছে হাতের তালুতে। ক্লান্তিমাখা মুখে একটাই প্রার্থনা: বউট্যার প্যাটের ব্যাটাটা য্যান মোর ভরসা হয় আল্লা!

২.

জবুথবু সময়ের নিয়মচক্রে ২০ বছর কেটে গেছে। বউটা কোভিড–১৯–এ পৃথিবী থেকে না ফেরার দেশে পাড়ি জমাল কয়েকদিন আগে। আর ভরসা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে জন্মানো ছেলেটা দুবছর হলো চাকরি পেয়েছে, বিয়েও করেছে চাকরিতে যোগ দিয়ে দিন সাতেক পরে। বাবা-মাকে জানানো অবান্তর মনে করে এড়িয়ে গেছে তাদের। বড়লোকের জামাই সে। আজ সে অন্য ঘরে আশার আলো জ্বেলে যায়।

বর্গাচাষি রহিদ এখন অচল। ঘরের আলোর সঙ্গে চোখের আলোও নিভে গেছে। বউটা চলে গেছে ঠিকই, রেখে গেছে ভাইরাসের মায়া। রহিদের শরীরেও কোভিড১৯–এর বসবাস। দুদিন আগে প্রশাসনের লোক এসে লকডাউন করেছে তার বাড়িসহ আশপাশের কয়েক বাড়ি।

দিনান্তে ভেজা চোখে গাছের পাতায় অস্থিরতা জাগায়, উঠোনে গড়াগড়ি খায় রহিদের বেদনার্ত স্বর: বাজান, ও বাজান...মইরবার আগে তোর মুখখান কি শ্যাষবার দেইকপার পাইম না বাজান?

আবর্ত

শুচিস্মিতা চক্রবর্তী

একটা পোড়া গন্ধ পেয়ে ধড়ফড় করে বিছানায় উঠে বসল তমাল। পুরো শরীর, বালিশ, বিছানার চাদরটা পর্যন্ত ঘামে ভিজে চপচপ করছে। তাহলে এতক্ষণ সে স্বপ্ন দেখছিল? এতটা বাস্তব!

বান্ধবগড়ের রাজবাড়ি, পুরোনো মন্দির, মা ঠাকুরাণীর ঘাটের গল্প বহুবার শুনেছে সে। নিজের চোখে দেখেছে। অসম্ভব চেনা মনে হয়েছে সেখানে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো। যেন তার সঙ্গেই ঘটেছে এসব। তমালের বিশ্বাস, সে জাতিস্মর। বারবার তাই বান্ধবগড়ে ছুটে আসত পুনর্জন্মের হিসাব মেলাতে।

ঘন জঙ্গলের ভেতর জীর্ণ পর্ণকুটির। ভাঙা দরজাটা কোনোক্রমে খুলতেই মাকড়সার জাল চোখেমুখে জড়িয়ে গেল। ভেতরে ঘুটঘুটে অন্ধকার। মোবাইলটা কোথায়? পকেটে নেই তো! পড়ে গেল? হাতড়াতে হাতড়াতে একটা মোমবাতির টুকরো হাতে লাগল। বাঁ-পকেটে দেশলাইটা যথারীতি আছে। মোমবাতিটা জ্বালাতেই চোখ পড়ল খুলিটার দিকে। ধক করে উঠল বুকের ভেতরটা। কোটরের দুটো জ্বলন্ত চোখ তার দিকে তাকিয়েই খ‍্যাঁকখ‍্যাঁক করে হাসছে। শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল। ভয়ে দুইপা পিছিয়ে হোঁচট খেয়ে পড়ল। মোমবাতিটা ছিটকে আগুন লাগল পাতার কুটিরে। দাউ দাউ করে জ্বলছে পাতার ঘর, সঙ্গে তমাল।

এই কুটিরেই অভিসারে আসত রাজকুমার তৃণাঙ্কুর তার প্রেয়সী বেদকন‍্যা অঙ্গিরার সঙ্গে। বেদকন্যার রূপ-লাবণ্য আর ভালোবাসায় রাজবংশের গরিমার কথা ভুলেছিল রাজকুমার। এই পর্ণকুটিরেই রাজকুমার প্রেয়সীর সঙ্গে মিলিত হতো। খবর পৌঁছাল রাজার সমীপে। অঙ্গিরা তখন সন্তানসম্ভবা। সামান্য বেদকন‍্যা রাজবংশের উত্তরাধিকারীকে জন্ম দিতে চলেছে। ক্রোধে উন্মত্ত রাজা চর পাঠিয়ে রাজপুত্র তৃণাঙ্কুর সমেত সন্তানসম্ভবা অঙ্গিরাকে এই পর্ণকুটিরেই জীবন্ত অগ্নিদগ্ধ করে হত্যা করলেন।

উফ! পুরো শরীর জ্বলে যাচ্ছে। পালাতে গিয়ে আরেকটা কঙ্কালে জড়িয়ে ভূপতিত হলো তমাল। এটাই কি তবে অঙ্গিরা? দুটো অগ্নিদগ্ধ হাত বাড়িয়ে বলছে, ‘বাঁচাও, বাঁচাও’।

হঠাৎ মনে হলো, পোড়া গন্ধ আর আর্তনাদটা রান্নাঘরের দিক থেকেই আসছে। পুরো ঘর ধোঁয়ার ভর্তি আর অসহ্য উত্তাপ; সৌমি কোথায় গেল?

তিন বছরের লিভ-ইন পার্টনার সৌমি। শোওয়ার আগে ভীষণ কথা-কাটাকাটি। পাঁচ মাসের গর্ভবতী সৌমিকে সে বলেছিল, ‘এ সন্তানকে পুরোনোপন্থী বাবা-মা কিছুতেই মানবেন না। অবিলম্বে অ্যাবরশন, নয়তো ব্রেকআপ অবশ‍্যম্ভাবী।’

কথাগুলো কানে আগুন ঢেলেছিল সৌমির।

দৌড়ে রান্নাঘরের দিকে যেতেই সৌমির অগ্নিদগ্ধ দেহটা তমালের সামনে লুটিয়ে পড়ল। সৌমির তার পোড়া হাত দুটো সামনে বাড়িয়ে কিছু একটা বলতে চাইছিল...!

বিজ্ঞাপন

আলোয় ফেরার দিন

স্বপন বিশ্বাস

বাপনদের আগে থেকেই ঠিক করা ছিল, শীতের ছুটিতে অ্যাডভেঞ্চারে বেরোবে। কিন্তু কোথায় যাবে? বিজ্ঞান স্যার বললেন, কুহক বন। সেটা কোথায় জান তো? আমাদের এই গরলিনী নদীটা পার হলেই একটা বড় চর। চর পেরোলেই কুহক বন। কেউ কেউ আপত্তি তুলল। বলল, ওখানে তো কেউ যায় না। বহু বছর আগে কারা নাকি ওখানে গিয়েছিল। তারা অনেকেই আর ফিরে আসতে পারেনি। বিজ্ঞান স্যার বললেন, সেটাই তো হবে অ্যাডভেঞ্চার। সবাই সঙ্গে ছুরি, লাঠি আর টর্চলাইট নেবে।

গরলিনী নদী পার হয়ে চর পেরিয়ে বাপনরা কুহক বনে গিয়ে পৌঁছাল। বনের ভেতরে কিছু দূর এগোতেই দেখা গেল, লাইটগুলো আর আলো দিচ্ছে না। মোবাইল ফোনগুলো কাজ করছে না। বনের ভেতরে এতটাই অন্ধকার যে, কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছে না। নিজেদের পায়ের শব্দেও একজন আরেকজনকে ভয় পেয়ে ছুটে পালাচ্ছে। ভাবছে কোনো হিংস্র পশু আক্রমণ করতে আসছে। সবাই ছুটে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করতে লাগল। মাঝে মাঝে বাদুড় ওড়ার মতো ফটফট শব্দ পাওয়া যায়। কখনো কখনো বন্ধুদের আর্ত চিৎকার শোনা যায়। মনে হয়, কোনো গভীর খাদে পড়ে কেউ হারিয়ে যাচ্ছে। তখন বিজ্ঞান স্যারের কথা মনে পড়ে, ভয় পেলেই পরাজয়। বুকে সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

বিজ্ঞান স্যারের কথা মনে করে সবাই এগিয়ে যেতে থাকে। একদিন বাপন লক্ষ্য করল, তার টর্চলাইটটা জ্বলছে। একটু দূরে আরও একটা টর্চলাইটের আলো দেখা যাচ্ছে। মনে হলো, আর একটু এগোলেই বন থেকে বেরিয়ে যেতে পারবে। পকেট থেকে ফোন বের করে দেখে তখনো চার্জ আছে। মোবাইলে তারিখ দেখে অবাক হয়। জানুয়ারি ১, ২০২১।

কুহক বনে সময় স্থির হয়ে থাকলেও বনের বাইরেতো সময় পেরিয়ে গেছে। প্রায় এক বছর পার হয়ে গেছে। বাপন তাড়াতাড়ি বিজ্ঞান স্যারকে মেসেজ পাঠায়, ‘শুভ নববর্ষ! আমরা কুহক বন থেকে বেরিয়ে আসার পথে’। উত্তরে বিজ্ঞান স্যারের ইমোজি এল, হ্যাপি নিউ ইয়ার।

সাহিত্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন