বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কীভাবে সম্ভব হলো এই অসাধ্যসাধন? ইফফাত জানান, ‘বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধব আর ডাক্তারি ক্যারিয়ার ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র আসার পর প্রথম কয়েক বছর বেশ ডিপ্রেশনে ছিলাম। খুব কঠিন একটা প্রেগনেন্সির পর, ছোট বাচ্চা নিয়ে ক্লান্ত আর অসুস্থ শরীর নিয়ে আমার আমিকে যখন হারাতে বসেছি ঠিক তখন শুরু করলাম ফ্যাশন ব্লগিং। এক বছরের মধ্যেই আমার ব্লগ ‘দ্য ম্যাগনোলিয়া ড্রেস’ মেইন স্ট্রিম ব্র্যান্ডগুলোর দৃষ্টি কাড়ল। আমার প্রতিটি পোস্টের জন্য স্পনসরশিপ পাওয়া শুরু করলাম। কিছুদিনের মধ্যে আমার মনে হলো, আমি যুক্তরাষ্ট্রের মেইন স্ট্রিম ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি ডাইনামিকস হয়তো একটু বুঝতে পারছি। আমি এখানে নিজের জায়গা প্রতিষ্ঠা করতে পারব নট অনলি অ্যাজ অ্যা ব্লগার বাট অ্যাজ অ্যা ফ্যাশন ব্রান্ড ওনার! ব্যাস, শুরু হলো আমার ‘বেল ইসাবেলার’ যাত্রা।’

default-image

ইফফাত বলেন, ‘মাত্র আট বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র এসে এখানে একটা নতুন ক্যারিয়ার শুরু করা মোটেও সহজ ছিল না। কঠোর পরিশ্রম, ভালো করার জেদ, পরিবারের দোয়া আর সহযোগিতায় আজ মাত্র এক বছর পর ‘বেল ইসাবেলা’ একটি প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড। প্রতি মাসে বেল ইসাবেলার রেভিনিউ ৬৫ হাজার ডলারের বেশি। আশা করছি এক থেকে দুই মাসের মধ্যে বেল ইসাবেলার মাসিক আয় ১ লাখ ডলার ছাড়িয়ে যাবে। যে আমি আট বছর আগেও জিনস পরিনি অথচ এখন আমার ফ্যাশন ব্র্যান্ড বেল ইসাবেলা যুক্তরাষ্ট্রে ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং ফ্যাশন কোম্পানি। আর এর কারণ হলো, যখন কেউ আমার ওপর বিশ্বাস রাখেনি, তখন আমি নিজের ওপর ভরসা হারাইনি। মেডিকেল ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলেও নিজে নিজে ওয়েবসাইট ডিজাইন, কপি রাইটিং, মার্কেটিং, ফটোগ্রাফি নিয়ে রিসার্চ করে ৩৩ বছর বয়সে আমি নতুন ক্যারিয়ার শুরু করি। যেটা ছিল আমার জীবনের বেস্ট ডিসিশন।’

ইচ্ছা শক্তি আর পরিশ্রম থাকলে কোনো কিছুই স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না, ইফফাত জেরিন তার প্রমাণ।

সাজসজ্জা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন